নির্যাতন, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত চাদের সাবেক স্বৈরশাসক হাইসেন হাবরেকে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে সেনেগাল সরকার। ২০১২ সালে হাবরের বিচারের জন্য একটি আদালত গঠনের চুক্তি সই করে সেনেগাল এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন (এইউ)। খবর এএফপির।
২০১৩ সালের জুনে হাবরেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার পর থেকেই ‘আফ্রিকার পিনোশে’ নামে খ্যাত হাইসেন হাবরে সেনেগালের রাজধানী ডাকারে বন্দী রয়েছেন। এ বিচার একটি ঐতিহাসিক নজির স্থাপন করবে, কারণ নৃশংসতার জন্য অভিযুক্ত আফ্রিকার স্বৈরশাসকদের এ পর্যন্ত কেবল আন্তর্জাতিক আদালতেই বিচার হয়েছে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, ৭২ বছর বয়সী হাইসেন হাবরের আট বছরের শাসনামলে ৪০ হাজার লোককে হত্যা করা হয়। তাঁর বিরোধী এবং আদিবাসী সম্প্রদায়গুলো তীব্র নিপীড়নের শিকার হয়।
সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাবেক স্বৈরশাসক হাবরেকে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ওই বিশেষ ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চারজন বিচারকের একটি প্যানেল দেড় বছর ধরে হাবরের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত করেন। বিচারকাজ আগামী মে বা জুনে পুরোদমে শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সেনেগাল এ বিচারটি বছরের পর বছর বিলম্বিত করে। এইউ ২০০৬ সালেই এ বিচারের অনুমোদন দিলেও দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদুল্লায়ে ওয়াদের আমলে তা বেশ কয়েক বছর থমকে থাকে। ওয়াদে ২০১২ সালের নির্বাচনে হেরে যান।

বিজ্ঞাপন
আফ্রিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন