গতকাল মাসালিত গোষ্ঠীর এক আদিবাসী নেতা বলেন, পশ্চিম দারফুরের প্রাদেশিক রাজধানী জেনাইনা থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরবর্তী ক্রিংক অঞ্চলে বেশ কয়েকটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেছেন তিনি।

সুদানের চিকিৎসক সংগঠন সেন্ট্রাল কমিটি অব সুদান ডক্টরস সতর্ক করেছে, পশ্চিম দারফুরে স্বাস্থ্যব্যবস্থা বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে। সহিংসতার সময় বেশ কয়েকটি হাসপাতালে হামলা হয়েছে।

আহত ব্যক্তিরা যেন নিরাপদে হাসপাতালে পৌঁছাতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দ্য ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব রেডক্রস। জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি ভোলকার পার্থেস এসব হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছেন। এসব ঘটনায় তদন্ত দাবি করেছেন তিনি।

২০০৩ সালে গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত দারফুরে গত বছরের অক্টোবর থেকে প্রায়ই ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। ভূমি, পশুজাত পণ্য এবং পানি ও চারণভূমিজনিত বিবাদকে কেন্দ্র করে মূলত এসব সংঘর্ষ হচ্ছে। গতকাল ‘জেনারেল কো–অর্ডিনেশন ফর রিফিউজিস অ্যান্ড ডিসপ্লেসড ইন দারফুর’ দাবি করেছে, আরব জানজাবিদ মিলিশিয়ারাই সাম্প্রতিক হামলার পরিকল্পনাকারী।

আফ্রিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন