বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উত্তর কোরিয়া সম্প্রতি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে। পরীক্ষার সময় দেশটি জানায়, পরীক্ষা করা ক্ষেপণাস্ত্র সুপারসনিক ও বিমানবিধ্বংসী। উত্তর কোরিয়ার প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়াও সম্প্রতি সাবমেরিন থেকে উক্ষেপণযোগ্য নিজেদের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে।

বিবিসি বলেছে, উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে অনুষ্ঠিত ‘সেলফ ডিফেন্স-২০২১’ নামের প্রদর্শনীতে দেওয়া বক্তব্যে কিম জং-উন দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তে সেনাবাহিনীর শক্তি বাড়ানোর কথা বলেন। তবে তিনি এ–ও বলেন, উত্তর কোরিয়া প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে লড়াই করতে চায় না। কিম জং–উন বলেন, ‘আমরা কারও সঙ্গে যুদ্ধে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা করছি না। বরং যুদ্ধ থেকে নিজেদের রক্ষা করতে এবং জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার বিষয় নিয়ে আমরা কথা বলছি।’

কিম যখন বক্তব্য দেন, তখন তাঁর পাশে ট্যাংকসহ বিভিন্ন ধরনের সামরিক সরঞ্জামের সারি ছিল। কিম বলেন, উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা উসকে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র উত্তর কোরিয়ার শত্রু নয়, এমন কথা বিশ্বাস করার ‘যুক্তিসংগত কোনো কারণও নেই’।

যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা প্রশমন এবং কোরীয় উপদ্বীপে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের মধ্যে একাধিকবার বৈঠক হয়। কিন্তু সেই বৈঠকের আশানুরূপ ফল পাওয়া যায়নি।

জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বৈঠকে বসার আগ্রহের কথা জানান। তবে উত্তর কোরিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আগে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে সরে আসার জন্য পিয়ংইয়ংয়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। তাঁর সেই দাবি নাকচ করেছে উত্তর কোরিয়া।

default-image

ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষার বিষয়ে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সেই নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গের কারণে দেশটির বিরুদ্ধে বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

গত মাসে জাতিসংঘের আণবিক শক্তি সংস্থা জানায়, উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক চুল্লিগুলো পুনরায় চালু করেছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা পারমাণবিক অস্ত্র বানানোর প্রয়োজনীয় উপাদান তৈরি করতে পারবে। উত্তর কোরিয়ার এই আচরণে তারা গভীর উদ্বিগ্ন বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন