বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাম্প্রতিক সময়ে দেশটি করোনা–সংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিল করে। অস্ট্রেলিয়া তার নাগরিকদের বিদেশি পরিবারের সদস্যদের সে দেশে প্রবেশের অনুমতি দেয়।

এখন দেশটির প্রধানমন্ত্রী মরিসন বলেছেন, পূর্ণ ডোজ টিকা নেওয়া বিদেশি ছাত্র, ব্যবসায়ী ও শরণার্থীদের অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশের অনুমতি দিতে বিধি আরও শিথিল করা হবে।

ক্যানবেরায় সাংবাদিকদের মরিসন বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় দক্ষ কর্মী ও শিক্ষার্থীদের প্রত্যাবর্তন আমাদের স্বাভাবিকতায় ফেরার পথের একটি বড় মাইলফলক।’

মরিসন জানান, অস্ট্রেলিয়া আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের টিকা নেওয়া পর্যটকদেরও তাঁর দেশে প্রবেশের অনুমতি দেবে।

অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতিতে বছরে বিদেশি শিক্ষার্থীদের অবদান প্রায় ৩৫ বিলিয়ন ডলার। তাঁদের প্রত্যাবর্তন দেশটির শিক্ষা খাতকে ফের সমৃদ্ধ করবে।

অস্ট্রেলিয়ার অনেক বিশ্ববিদ্যালয় বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর নির্ভর করে চলে। কিন্তু করোনার কারণে সীমান্ত বন্ধ থাকার ফলে অনেক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংকটে পড়ে। তাই তারা তাদের শত শত কর্মী ছাঁটাই করতে বাধ্য হয়।

অস্ট্রেলিয়া ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে ‘ট্রাভেল বাবল’ কার্যকর হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় গতকাল রোববার সিঙ্গাপুর থেকে একদল আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছেছেন।

সীমান্তে বিধিনিষেধ, দ্রুত লকডাউন ও কঠোর সামাজিক দূরত্বের নিয়ম কার্যকর করার মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্য অনেক দেশের তুলনায় করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছে দুই লাখ মানুষ। মারা গেছে ১ হাজার ৯৪৮ জন।

করোনার বিধিনিষেধের কারণে অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন দেশটি তাদের অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন