default-image

লিবিয়ায় জঙ্গি ইসলামি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) ২১ জন মিসরীয় নাগরিককে গলা কেটে হত্যা করেছে। নিহত ব্যক্তিরা সবাই কপটিক খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের। গত রোববার ত্রিপোলির একটি সমুদ্রসৈকতে তাদের শিরশ্ছেদের পর জঙ্গিরা অনলাইনে একটি ভিডিও প্রকাশ করে। 
ইরাক ও সিরিয়ার বাইরে আইএসের এমন শিরশ্ছেদের ঘটনা এটাই প্রথম। এই ঘটনায় সাত দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করে মিসর।
শিরশ্ছেদের ভিডিও প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পরই মিসর ও লিবিয়ার যৌথ বাহিনী লিবিয়ায় বিমান হামলা চালায়। ‘রক্তপাতের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ এবং হত্যাকারীদের উচিত শিক্ষা দেওয়ার’ জন্য এই হামলা চালানো হয়েছে বলে মিসরের সেনাবাহিনী গতকাল সোমবার জানায়। এই হামলায় কমপক্ষে ৫০ আইএস জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছেন লিবিয়ার বিমানবাহিনীর প্রধান সাকর আল জারুশি। ধ্বংস হয়েছে জঙ্গিদের শিবির, প্রশিক্ষণকেন্দ্র, অস্ত্রভান্ডার। তবে নিরপেক্ষ সূত্র থেকে এই তথ্যের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
আইএসের বিরুদ্ধে অভিযানে অংশ নিতে বাহরাইন জর্ডানে যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে। জঙ্গিবিরোধী লড়াইয়ে জাপান মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকায় ১৫ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে।
এদিকে আইএসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি ফ্রান্স ও মিসর আহ্বান জানিয়েছে। গতকাল ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ ও মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি এ বিষয়ে পরস্পর টেলিফোনে কথা বলেন। গতকালই মিসর ৫২০ কোটি ইউরোর অস্ত্র কেনার চুক্তি করেছে ফ্রান্সের সঙ্গে।
যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্সসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। নিন্দা জানিয়েছেন পোপ ফ্রান্সিস। ভ্যাটিকান থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, কেবল খ্রিষ্টান বলেই এই ২১ জনকে হত্যা করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন