এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। নগর কর্তৃপক্ষ বলেছে, ভবনের ধ্বংসাবশেষে রাতভর অভিযান চালিয়ে পাঁচ ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
ভবনটি বিধ্বস্ত হওয়ার পরপরই বলা হয়েছিল এটি ছয়তলাবিশিষ্ট। তবে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, ভবনটি আটতলাবিশিষ্ট।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, ভবনের রড ও কংক্রিটের স্ল্যাব কেটে কেটে সেখানে শব্দ করছেন উদ্ধারকর্মীরা। কেউ সেখানে আটকে পড়ে আছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছেন তাঁরা। ইতিমধ্যে সরু পথ তৈরি করে কয়েকজন আহত ব্যক্তিকে বের করে আনা হয়েছে। বিধ্বস্ত ভবনে প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজতে স্নিফার ডগ দিয়ে পুরো এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে।
এখন পর্যন্ত ভবনটি বিধ্বস্ত হওয়ার কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, ধারণক্ষমতার চেয়ে ভবনটিতে অতিরিক্ত কাঠামো নির্মাণ করায় এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। সিসিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ভবনের ভাড়াটেরা বিভিন্ন কাঠামোগত পরিবর্তন এনেছেন।’ ভবন বিধ্বস্তের কারণ জানতে তদন্ত চলছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে সিসিটিভির ওই প্রতিবেদনে।

প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

চীনে ভবন বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। ভবনের নিরাপত্তার মান দুর্বল হওয়ায় এবং গুণগত মান নিশ্চিতের কাজে নিয়োজিত থাকা কর্মকর্তাদের দুর্নীতির কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে।

জানুয়ারি মাসে চংকিং শহরে একটি ভবনে বিস্ফোরণের পর তা ধসে পড়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লিক হয়ে এ বিস্ফোরণ হয়েছে। এ ঘটনায় ১২ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি হয়।

২০২১ সালের জুনে শিয়ান শহরের একটি আবাসিক ভবনে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় ২৫ জন নিহত হন।
একই মাসে একটি মার্শাল আর্ট স্কুলে আগুন লাগার ঘটনায় ১৮ জন নিহত হন।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন