বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে পাকিস্তান ছাড়াও রাশিয়া, চীন, ইরান ও মধ্য এশিয়ার কয়েকটি দেশের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানেরা অংশগ্রহণ করেছেন। পাকিস্তানের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ বৈঠক আফগানিস্তান ও এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তাদের ঐকান্তিক ইচ্ছারই প্রতিফলন।

যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানে প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি সরকারের পতন ও তালেবানের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসায় এক নতুন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অভিন্ন আঞ্চলিক কৌশল খুঁজে বের করতে পাকিস্তানের সাম্প্রতিকতম উদ্যোগ এটি। এর আগে গত কয়েক দিনে প্রতিবেশী ছয়টি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিশেষ দূতদের নিয়ে আরও কয়েকটি বৈঠক আয়োজন করেছে দেশটি।

গোয়েন্দাপ্রধানদের বৈঠকের আগে গত বুধবার অনুষ্ঠিত হয় আফগানিস্তানের প্রতিবেশী ছয় দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক। ওই বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা আফগানিস্তানের উন্নয়নে শরিক থাকতে এবং একটি সামগ্রিক, ব্যাপক ও শান্তিপূর্ণ সাড়াদানের জন্য একে অপরের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখতে সম্মত হন। বৈঠক শেষে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

খবরে বলা হয়, আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতিতে এর প্রতিবেশী দেশগুলো তাদের সীমান্তবর্তী এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। কারও কারও ধারণা, আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত না হলে দেশটির মাটি ব্যবহার করে সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন দেশে হামলা চালাতে পারে। ছড়িয়ে দিতে পারে চরমপন্থী কর্মকাণ্ড। আবার আফগানিস্তান থেকে ওই সব দেশে শরণার্থীর ঢল নামতে পারে। নতুন করে শুরু হতে পারে মাদক পাচার ও আন্তর্দেশীয় অপরাধ।

ইতিমধ্যে বুধবার মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর প্রধান উইলিয়াম বার্নস পাকিস্তান সফরে দেশটির চিফ অব আর্মি স্টাফ জেনারেল কামার বাজওয়া ও গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাইজ হামিদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এদিকে আফগানিস্তানে তালেবানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনকে স্বাগত জানিয়ে ইসলামাবাদ আশা প্রকাশ করেছে, দেশটিতে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার সমন্বিত প্রচেষ্টা নতুন নেতৃত্ব নিশ্চিত করবে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন