বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে মাজার-ই-শরিফের একটি সূত্র এএফপিকে জানায়, নিহত নারীদের মধ্যে অন্তত একজন অধিকারকর্মী। অবশ্য ভুক্তভোগী পরিবারটি এ নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলতে চায়নি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি একটি নাগরিক সংগঠনের সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, নিহত চার নারী বন্ধু ও সহকর্মী ছিলেন। তাঁরা দেশ ছাড়তে মাজার-ই শরিফ বিমানবন্দরে যাচ্ছিলেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি অধিকার সংগঠনের সূত্র এএফপিকে জানায়, ওই নারীদের কাছে একটি ফোনকল আসে। তাঁরা ভেবেছিলেন আফগানিস্তান ছাড়ার ফ্লাইটে তাঁদের তুলে দেওয়া হবে। পরে তাঁদের লাশ পাওয়া যায়।

গত আগস্টে আফগানিস্তানে পশ্চিমা–সমর্থিত আশরাফ গনি সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতায় আসে তালেবান। কট্টরপন্থী সংগঠনটি তাদের আগের শাসনামলে নারীদের স্বাধীনতার ব্যাপারে কঠোর ছিল। এবার তাদের ক্ষমতা দখলের পর অনেক অধিকারকর্মীই আফগানিস্তান ছেড়েছেন।

তালেবান নেতারা বলছেন, কোনো অধিকারকর্মীকে হত্যার অনুমতি কাউকে দেওয়া হয়নি। দায়ী ব্যক্তিকে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন