বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই অধিকারকর্মীর বোন রিতা বলেন, ‘আমরা পরনের পোশাক দেখে সাফিকে চিনতে পেরেছি। গুলিতে তাঁর মুখ ক্ষতবিক্ষত ছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘তাঁর পুরো শরীরেই বুলেটের ক্ষত ছিল; মাথা, বুক, পিঠ, পা—সবখানে।’

বলখের প্রাদেশিক হাসপাতালের চিকিৎসক মেরাজ ফারুকি বলেন, গত বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা দুজন অজ্ঞাত ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ লাশ নিয়ে আসেন।

এ বিষয়ে তালেবান সরকারের ওই প্রদেশের তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক পরিচালক জাবিউল্লাহ নুরানি বলেন, মাজার-ই-শরিফ শহরের একটি বাড়িতে তাঁরা ওই দুজনের মৃতদেহ পান। তাঁর ধারণা, ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জের ধরে তাঁদের হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। এ হত্যাকাণ্ড পুলিশ তদন্ত করে দেখছে বলেও জানান তিনি।

রিতা বলেন, গত মাসের শেষ দিকে ফ্রোজানকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি টেলিফোন করেন।

তিনি নারী অধিকারকর্মী হিসেবে কাজ করার সপক্ষে তাঁকে প্রমাণপত্র সংগ্রহ ও নিরাপদ কোনো স্থানে চলে যেতে বলেন। এতে ধারণা করা হচ্ছে, ফ্রোজান জার্মানিতে আশ্রয়লাভের জন্য আবেদন করেছিলেন। সেই আবেদন বিবেচনার জন্য প্রক্রিয়াধীন ছিল।

রিতা আরও বলেন, ওই টেলিফোন কল পেয়ে ফ্রোজান ইউনিভার্সিটির ডিপ্লোমা সনদসহ কিছু কাগজপত্র সংগ্রহ করেন। সেগুলো একটি ব্যাগে ভরে ও মাথায় স্কার্ফ জড়িয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর থেকে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। তিনি বলেন, ‘তাঁকে কে বা কারা খুন করেছে, তা আমরা জানি না।’

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন