বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের অ্যাসোসিয়েট এশিয়ার পরিচালক প্যাট্রিসিয়া গসম্যান এই বিধিমালার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন, ইসলামি মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল গণমাধ্যমকে কাজ করার অনুমতি দেওয়ার তালেবানের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও নতুন নিয়মগুলো দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার শ্বাসরোধ করছে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যমের বিষয়ে তালেবানদের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও গত ছয় সপ্তাহ ধরে দেশটিতে সাংবাদিক এবং গণমাধ্যম কর্মীরা আটক, শারীরিক নির্যাতন এবং সহিংসতার মুখোমুখি হয়েছেন।

এ সপ্তাহের শুরুর দিকে তালেবান নেতারা নতুন গণমাধ্যম নীতিমালা ঠিক করেছেন। সাংবাদিক এবং অধিকার কর্মীদের উদ্বেগ জানিয়ে বলছেন, নতুন নীতিমালায় গণমাধ্যমের ওপরে পরিপূর্ণ সেন্সরশিপ আরোপ করবে তালেবান। মোট ১১ টি নির্দেশনার মধ্যে একটি নির্দেশনায় বলা হয়েছে গণমাধ্যমগুলোতে সরকারি গণমাধ্যম ও ইনফরমেশন সিস্টেমসের (জিএমআইসি) সঙ্গে মিলে বিস্তারিত প্রতিবেদন দিতে হবে।

পূর্ববর্তী আফগান প্রশাসনের অধীনে দেশটির গণমাধ্যম চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিল। এর মধ্যে আশরাফ গনির সরকারের আমলেও গণমাধ্যমের প্রতি প্রতিকূল মনোভাবের কারণে সমালোচনার মুখে পড়ে। কিন্তু এবারে তালেবানের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পর সেখান থেকে সাংবাদিকদের কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

সামি মাহদী নামের এক টেলিভিশন সাংবাদিক সম্প্রতি তালেবান শাসনের অধীনে গণমাধ্যমের অবস্থা সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, তালেবান গত ১৫ আগস্ট আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর গণমাধ্যমের প্রতি মনোভাব স্পষ্ট করে দিয়েছে।

কাবুলের পতনের পর আফগানিস্তানে আন্তর্জাতিক সহায়তা বন্ধ হওয়ায় এবং তালেবানের কাছ থেকে হুমকি পেয়ে সেখানকার ১৫০ টির বেশি গণমাধ্যম ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন