বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জহির বলেন, আহমেদ মাসুদ ও আমিরুল্লাহ সালেহ পালিয়ে তাজিকিস্তানে আসেননি। আহমেদ মাসুদ পানশির ছেড়ে চলে গেছেন বলে যে খবর বেরিয়েছে, তা সত্য নয়। তিনি আফগানিস্তানের ভেতরে আছেন।

জহির বলেন, ‘আমি আমিরুল্লাহ সালেহর সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগ রাখছি। তিনি বর্তমানে পানশিরে আছেন। তিনি ইসলামিক প্রজাতন্ত্র আফগানিস্তান সরকার পরিচালনা করছেন।’

জহিরের ভাষ্য, পানশিরের প্রতিরোধ বাহিনী এখনো তালেবানের বিরুদ্ধে লড়ে যাচ্ছে।

default-image

গত ১৫ আগস্ট তালেবানের হাতে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের পতন হয়। তালেবানের কাবুল দখলের মুখে দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে যান। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে আশ্রয় নেন। গনির এভাবে দেশ থেকে পালানো নিয়ে তীব্র সমালোচনা হচ্ছে। সমালোচকেরা বলেন, নিজ দেশের নাগরিকদের রক্ষার দায়িত্ব ছিল গনির। কিন্তু তিনি তা না করে আফগান জনগণকে বিপন্ন অবস্থায় রেখে পালিয়ে গেছেন।

৩১ আগস্ট কাবুল ত্যাগ করে সবশেষ মার্কিন সেনা। এর মধ্য দিয়ে শেষ হয় যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের দীর্ঘতম যুদ্ধ। তালেবান কাবুল নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর পানশিরের স্থানীয় নেতা আহমেদ মাসুদের নেতৃত্বে তালেবানবিরোধী প্রতিরোধ যুদ্ধ গড়ে তোলা হয়। সেখানে মাসুদের নেতৃত্বাধীন মিলিশিয়াদের সঙ্গে আফগান সামরিক বাহিনীর কমান্ডারদের একাংশ মিলে গঠন করা হয় ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্স (এনআরএফ)।

৬ সেপ্টেম্বর তালেবান পানশির উপত্যকা পুরোপুরি দখলে নেওয়ার দাবি করে। তবে তালেবানের দাবি নাকচ করে এনআরএফ। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, তালেবান পানশির দখল করতে পারেনি। তালেবানবিরোধী লড়াই অব্যাহত রাখার জন্য পানশির সব কৌশলগত অবস্থানে এনআরএফ বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে। ন্যায়বিচার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তালেবান ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে এনআরএফের লড়াই চলবে।

তালেবান ও এনআরএফের দাবির সত্যতা নিরপেক্ষ কোনো সূত্র থেকে যাচাই করতে পারেনি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন