এ প্রসঙ্গে নারা পুলিশের প্রধান তোমোয়াকি ওনিজুকা বলেন, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে সেখানে নিরাপত্তা ঘাটতি ছিল। তিনি বলেন, এখন জরুরি বিষয় হলো, একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা। ঠিক কী ঘটেছিল, সেটা জানতে এই তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

তবে কী কারণে নারার পুলিশ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে, সেই বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেননি তোমোয়াকি ওনিজুকা। সাংবাদিকদের সঙ্গে যখন যিনি কথা বলছিলেন, তখন কাঁদছিলেন তিনি।

আবেকে হত্যার ঘটনায় ইতিমধ্যে সেই বন্দুকধারী তাৎসুইয়া ইয়ামাগামিকে (৪১) পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তাৎসুইয়া সাবেক নৌসেনা বলে জানা গেছে।

আবেকে কেন হত্যা করা হয়ে সেই বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। তবে বন্দুকধারী তাৎসুইয়া গুলি করার পর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা না করায় ধারণা করা হচ্ছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তাঁর কোনো বিদ্বেষ থাকতে পারে। অন্য কয়েকটি সূত্র অবশ্য হামলাকারী ওই ব্যক্তির মানসিক অবস্থা সম্পর্কে সন্দেহ পোষণের ইঙ্গিত দিয়েছে।

জাপানে দুই মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আবে। তিনি দেশটিতে সবচেয়ে বেশি সময় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অসুস্থতার কারণে ২০২০ সালে তিনি পদত্যাগ করেন। তবে ক্ষমতায় থাকা লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) ওপর তাঁর যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন