default-image

থাইল্যান্ডের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রার বিদেশ ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তাধীন থাকায় এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার দেশটির সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এএফপির খবরে এ তথ্য জানানো হয়।
ধানে ভর্তুকির বিতর্কিত একটি প্রকল্পে দুর্নীতির ঘটনায় ইংলাককে গত ২৩ জানুয়ারি অভিশংসনের পক্ষে দেশটির সামরিক জান্তা-সমর্থিত পার্লামেন্টের বেশির ভাগ সদস্য ভোট দিয়েছেন। ফলে তাঁকে পাঁচ বছরের জন্য রাজনীতির বাইরে থাকতে হবে। দোষী সাব্যস্ত হলে ইংলাকের ১০ বছর পর্যন্ত সাজা হতে পারে। গত মে মাসে সেনাবাহিনী দেশটির ক্ষমতা দখলের আগে আগেই ক্ষমতাচ্যুত হন ইংলাক।
স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইংলাক চলতি সপ্তাহে হংকং, চীন ও ব্রিটেন যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় জানায়, রাষ্ট্রীয় কৌঁসুলির পরামর্শে থাই জান্তা ইংলাকের আবেদন নাকচ করে দেয়।

উপপ্রধানমন্ত্রী জেনারেল প্রয়ুত ওয়াংসুওন সাংবাদিকদের বলেন, ‘অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় জানায়, ‘ইংলাকের বিরুদ্ধে মামলার বিচারকাজ চলছে। তাই তাঁর বিদেশ সফর স্থগিত রাখতে বলা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আইনি প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।’

অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি ইংলাকের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দেওয়া হবে। তখন সুপ্রিম কোর্ট সিদ্ধান্ত নেবেন, তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চলবে কি চলবে না।

থাইল্যান্ডে আইন অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ নেই।

এদিকে ইংলাকের আইনজীবী নোরাউউত লারলেং এএফপিকে বলেন, দেশ ছাড়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পেছনে আইনি কোনো যৌক্তিকতা নেই। তিনি বলেন, মামলা এখনো আদালতে যায়নি। এর আগেই তাঁর সঙ্গে অপরাধীর মতো আচরণ করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন