default-image

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেন সংকটের জন্য আবারও পশ্চিমাদের দায়ী করেছেন। তবে সহিংসতা বন্ধে ফ্রান্স ও জার্মানির প্রস্তাবের পক্ষে কাজ করছেন বলেও জানান তিনি। এদিকে সংকট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে আলোচনার জন্য ওয়াশিংটনে গেছেন জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল। খবর এএফপি ও বিবিসির।
মিসর সফররত পুতিন গতকাল সোমবার অভিযোগ করেন, পশ্চিমা দেশগুলো ন্যাটোর সম্প্রসারণ না করার প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করেছে এবং দেশগুলোকে তাদের অথবা রাশিয়ার যেকোনো একটিকে বেছে নিতে চাপ দিয়ে আসছে। এ ক্ষেত্রে পশ্চিমারা রাশিয়ার স্বার্থকে উপেক্ষা করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আগামীকাল বুধবার ইউক্রেন সংকটের বিষয়ে নতুন একটি শান্তি প্রচেষ্টার প্রাক্কালে পুতিন এসব কথা বলেন।
মিসরের আল আহরাম সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পুতিন বলেন, ‘আমরা অব্যাহতভাবে যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের পশ্চিমা মিত্রদের ইউক্রেনে হস্তক্ষেপের নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে হুঁশিয়ার করেছিলাম।’ তিনি গত বছর ভিক্টর ইয়োনোকভিচ-বিরোধী আন্দোলনে মদদ দেওয়ার জন্য পশ্চিমাদের অভিযুক্ত করেন। ওই বিক্ষোভে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে একটি চুক্তি করতে অস্বীকৃতি জানানোয় ইয়োনোকভিচ সরকারের পতন হয়।
যুক্তরাষ্ট্রে ম্যার্কেল: ইউক্রেনে নতুন শান্তি পরিকল্পনার বিষয়ে আলোচনার জন্য গতকাল যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছেন জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল। সেখানে প্রেসিডেন্ট ওবামার সঙ্গে তাঁর আলোচনার কথা রয়েছে।
এমন এক মুহূর্তে ম্যার্কেলের সঙ্গে বসতে যাচ্ছেন ওবামা, যখন ইউক্রেনের সেনাবাহিনীকে অস্ত্র সরবরাহ করার জন্য চাপের মধ্যে রয়েছে দেশটির প্রশাসন। তবে ম্যার্কেলসহ অন্যান্য ইউরোপীয় নেতারা মনে করেন, অস্ত্র সরবরাহ লড়াইকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
এর আগে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে আলোচনার জন্য জার্মান চ্যান্সেলর ম্যার্কেল এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ মস্কো সফর করেন।
নয় সেনা নিহত: ইউক্রেনের সেনাবাহিনী গতকাল জানায়, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় বিদ্রোহীদের হামলায় আরও নয়জন সরকারি সৈন্য নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছেন। এ সময় বিদ্রোহীরা প্রায় শতবারের মতো সরকারি বাহিনীর ওপর হামলা চালায়। দেবালৎসেব শহরের কাছে তীব্র লড়াই চলছে বলে সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন
এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন