দেশটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেছেন, অগ্ন্যুৎপাতের কারণে ছড়িয়ে পড়া ছাই গ্রামগুলো ঢেকে দিয়েছে। সেখানকার মানুষকে ছাই ও ধ্বংসাবশেষের মধ্য দিয়ে ছোটাছুটি করতে দেখা গেছে।

আগ্নেয়গিরির কাছাকাছি এলাকা লুমাজাং জেলার উপপ্রধান ইন্দাহ আম্পেরওয়াতি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, অগ্নুৎপাতের ঘটনায় কুরাহ কোবোকান গ্রামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বেশিরভাগ দগ্ধদের পেনাঙ্গলের প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ইন্দাহ আম্পেরওয়াতি আরও বলেছেন, কাদা এবং ভেঙে পড়া গাছের কারণে রাস্তা আটকে যাওয়ায় কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকটি গ্রামে পৌঁছাতে পারেনি।

ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির (বিএনপিবি) প্রধান মেজর জেনারেল টিএনআই সুহারিয়ান্তো সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, সেনাবাহিনীকে সব ধরনের সহায়তার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভা প্রদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান বুদি সান্তোসা বলেছেন, আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের কারণে দুটি উপজেলা ‘খারাপভাবে ক্ষতিগ্রস্ত’ হয়েছে।