বৈঠকে ইরানের পক্ষে অংশ নিয়েছিলেন এসএসএসসির কয়েকজন মুখপাত্র। অন্যদিকে সৌদি আরবের হয়ে উপস্থিত ছিলেন দেশটির গোয়েন্দাপ্রধান খালিদ বিন আলী আম হুমাইদান। তবে ওই বৈঠক কবে অনুষ্ঠিত হয়েছে, তা জানানো হয়নি।

বাগদাদের বৈঠকে ইরান ও সৌদি আরবের প্রতিনিধিরা দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রধান বাধাগুলো নিয়ে ইতিবাচক পরিবেশে আলোচনা করেছেন। এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠকের পথ তৈরি করতে পারে বলে উল্লেখ করেছে নুরনিউজ।

২০১৬ সাল থেকে তেহরান ও রিয়াদের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক বন্ধ রয়েছে। তবে দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে আলোচনায় বসতে আগ্রহ দেখিয়ে আসছে দুই দেশই। তবে এ নিয়ে গত বছরের এপ্রিল পর্যন্ত তেমন অগ্রগতি হয়নি।

গত এপ্রিলে ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে বৈঠক শুরু হয়। সে সময় থেকে পাঁচটি বৈঠকই অনুষ্ঠিত হয়েছে বাগদাদে। এদিকে সর্বশেষ বৈঠকের আয়োজন করতে ইরাকের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে ওমানও।

৬ বছর আগে সৌদি আরব ১ দিনে ৮১ জনের মৃতুদণ্ড কার্যকর করে, যাঁদের বেশির ভাগ শিয়া মুসলিম। শিয়া সম্প্রদায়ের প্রভাবশালী এক ধর্মীয় নেতার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রতিবাদে তেহরানে সৌদি দূতাবাসে হামলা চালান বিক্ষোভকারীরা। ওই ঘটনার জেরে ইরান ও সৌদি আরব কূটনৈতিক সম্পর্কে ইতি টানে।

এ ছাড়া সাত বছরের বেশি সময় ধরে চলা ইয়েমেন যুদ্ধে পরস্পরবিরোধী অবস্থানে রয়েছে ইরান ও সৌদি আরব। ইয়েমেন সরকারের পক্ষে রয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। তাদের বিরুদ্ধে লড়ছেন ইরান–সমর্থিত হুতি যোদ্ধারা।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন