default-image

ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার অভিযোগ উঠেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) উপকূলে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে ইরানপন্থী একটি সংবাদমাধ্যম এবং ইসরায়েলের একটি টিভি চ্যানেল গতকাল মঙ্গলবার জানিয়েছে।

এ হামলার বিষয়ে আজ বুধবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের চ্যানেল-১২ দেশটির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দেশটির একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার খবর দিয়েছে। এ হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করা হয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ হামলায় কেউ হতাহত হননি। জাহাজটির চলাচলও অব্যাহত। তবে জাহাজটি ‘হালকা ক্ষতিগ্রস্ত’ হয়েছে।

ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে গত রোববার নাশকতামূলক গুপ্ত হামলার ঘটনার পর ইসরায়েলি জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটল। তেহরান তাদের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলাকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ উল্লেখ করে এর জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করে। এর প্রতিশোধ নেওয়ারও হুমকি দেয়। নাতাঞ্জে হামলার কয়েক ঘণ্টা পর এর সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে ইঙ্গিতও দেন ইসরায়েলের সেনাপ্রধান আবিব কোচাভি। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তাঁর দেশের অভিযান শত্রুদের কাছে অজানা নয়।

বিজ্ঞাপন

আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামুদ্রিক নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত দুটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছে, আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরের কাছে ইসরায়েলের জাহাজটি হামলার শিকার হয়। হামলার ফলে একটি বিস্ফোরণ ঘটে। তবে কোনো হতাহত হয়নি।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এ হামলার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, হামলার ঘটনা তাঁরা শুনেছেন।
নৌ নিরাপত্তা সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে লেবাননভিত্তিক আল মায়াদ্বীন নামের একটি টেলিভিশনের খবরে জাহাজটির নাম ‘হাইপারসন রয়’ বলে জানিয়েছে। জাহাজটি কুয়েত থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরে আসছিল।

লেবাননভিত্তিক বার্তা সংস্থা ইউ-নিউজের খবরে বলা হয়েছে, হামলার শিকার হওয়ার ২৪ ঘণ্টা আগে জাহাজটি কুয়েতের মিনা আল আহমাদি বন্দর থেকে ছেড়ে আসে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন