বিজ্ঞাপন

১০ মে রাত থেকে গাজায় বিমান হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এর মধ্যে গত শুক্রবার রাতে ট্যাংক ও কামান থেকে গোলা নিক্ষেপ করে তারা। ইসরায়েলি বোমায় ধ্বংস হচ্ছে গাজার নানা বহুতল ভবন। ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে লাশ। এরই মধ্যে সেখানে প্রায় ২০০ মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে ৫৮ শিশু রয়েছে।

গাজায় এই হামলার পক্ষে যুক্তি হিসেবে হামাসের রকেট নিক্ষেপের কথা বলছে ইসরায়েল। অপর দিকে হামাস বলছে, অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেম থেকে জোরপূর্বক ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুত করা এবং গত সপ্তাহে ইসরায়েলি বাহিনীর আল-আকসা মসজিদ চত্বরে অভিযান চালিয়ে সেখানে অবস্থানের প্রতিশোধ নিতে তারা রকেট ছুড়ছে।

নিরাপত্তা পরিষদ থেকে অস্ত্রবিরতির আহ্বানের জন্য নরওয়ে, চীন ও তিউনিসয়ার নেতৃত্বে চেষ্টা চলছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতায় এখনো তা ফলপ্রসূ হয়নি।
নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য হলো—যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও যুক্তরাজ্য। এই দেশগুলোর প্রতিটির যেকোনো বিষয়ে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করে তা আটকে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

ফিলিস্তিনের রাজনৈতিক দল ফাতাহর একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সোমবার আল-জাজিরাকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থানে তারা হতাশ। ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ফোনে যে ইতিবাচক বার্তা পাওয়া গিয়েছিল, তার প্রতিফলন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ঘটছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছ থেকে হামলা বন্ধের জন্য ইসরায়েলের ওপর চাপ প্রয়োগের কোনো ইঙ্গিত এখনো পাওয়া যায়নি। উল্টো শুরু থেকেই ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকারের কথা বলে আসছেন তিনি।

default-image

সমালোচকদের পাশাপাশি বাইডেনের ডেমোক্র্যাট পার্টির অনেকেও তাঁর প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি হামলাকে দায়মুক্তি দেওয়ার অভিযোগ করছেন।
জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকে বলেন, লড়াই থামাতে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক চ্যানেলে ‘অক্লান্তভাবে কাজ করে যাচ্ছে’।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন