বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিগত দিনগুলোয় একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। সবশেষ ছোড়া এ ক্ষেপণাস্ত্র দেশটির জন্য ‘কৌশলগতভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ’ বলে উল্লেখ করেছে কেসিএনএ। সংবাদমাধ্যমটির ভাষ্য, ঠিক যেমনটি চাওয়া হয়েছিল, ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণের পর সে চাহিদার সব কটিই পূরণ হয়েছে।

সামরিক শক্তিতে এগিয়ে থাকা দেশগুলোর ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতার পাল্লায় হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র একটি অত্যাধুনিক সংস্করণ। সাধারণ ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে এটি অনেক বেশি দ্রুতগতিসম্পন্ন। এ কারণে প্রচলিত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় এটি মোকাবিলা করা বেশ কঠিন।

এদিকে গতকালই উত্তর কোরিয়া থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার বিষয়টি সামনে আনে প্রতিবেশী দেশ দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী। তবে ক্ষেপণাস্ত্রটি সর্বোচ্চ কত উচ্চতায় উঠেছিল এবং কতটা দূরত্ব পাড়ি দিয়েছিল, তা খোলাসা করতে পারেনি তারা। এ নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি সংবাদমাধ্যম জানায়, উত্তর কোরিয়ার আগের ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর তুলনায় গতকালেরটি ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের ছিল। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইন সিউলের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলকে এ পরিস্থিতির ‘বিশদ বিশ্লেষণের’ নির্দেশনা দিয়েছেন।

দীর্ঘদিন ধরেই উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে ক্ষমতার পাল্লাপাল্লি চলছে। দুই দেশই নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বাড়িয়েই চলেছে। তবে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা না করার বিষয়ে উত্তর কোরিয়ার ওপর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সবকিছুর মধ্যেই চলতি মাসের শুরুতে দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর দাবি করে দেশটি।

পিছিয়ে নেই দক্ষিণ কোরিয়াও। সম্প্রতি দেশটি সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য দুটি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায়। পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর বাইরে একমাত্র দক্ষিণ কোরিয়া ছাড়া আর কারও হাতে এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা আপাতত নেই।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন