বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ট্রেনে রূপান্তরের পর এর স্টিলের চাকাগুলো সামনের টায়ারগুলোকে ওপরের দিকে তুলে রাখে। আর এ বাহনকে সড়কপথ থেকে ঠেলে রেলপথে ওঠানোর জন্য পেছনের চাকাগুলো নিচের দিকে নেমে থাকবে।

ডুয়েল মুডের এ বাহনে ২১ জন যাত্রী চলাচল করতে পারবেন। রেললাইনে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারে এটি। আর সড়কে এর সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার।

ডিএমভি পরিচালনা করছে জাপানের আসা কোস্ট রেলওয়ে কোম্পানি। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শিগেকি মিউরা গতকাল শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘নতুন এ বাহন স্থানীয়দের একই সঙ্গে বাস ও ট্রেন দুটোরই সুবিধা দেবে। বিশেষ করে গ্রাম এলাকায় বসবাসকারী বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষদের কাছে এটি খুব ভালো একটি গণপরিবহন হয়ে উঠবে বলে আমরা আশা করছি।’

default-image

ভিন্ন ভিন্ন রঙে তৈরি ছোট আকারের এ বাহন ডিজেলে চলবে। জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ শিকোকুর উপকূলীয় এলাকার কয়েকটি ছোট শহরের মধ্যে চলাচল করবে এটি। এসব এলাকা দিয়ে চলাচলের সময় সমুদ্রতীরবর্তী আকর্ষণীয় দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন যাত্রীরা।

মিউরা বলেন, তিনি আশা করছেন, এ প্রকল্প জাপানের অন্য এলাকার রেলভক্তদেরও আকর্ষণ করবে। তাঁরাও নতুন এ দ্বৈত বাহনে ভ্রমণ করতে উদ্বুদ্ধ হবেন।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন