বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড ঘেঁষে প্রশান্ত মহাসাগরের ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র টোঙ্গা। ছোট ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত এই দেশে এক লাখের কিছু বেশি মানুষ বসবাস করে। তাদের মধ্যে ৭০ শতাংশের বসবাস রাজধানী নুকুয়ালোফা ও এর আশপাশের দ্বীপগুলোয়। দেশটির মানুষের জীবন–জীবিকা মূলত প্রশান্ত মহাসাগর থেকে মাছ ধরা ও পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল।

বিশ্বে করোনা মহামারি শুরুর দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও ছোট্ট দেশ টোঙ্গার মানুষকে এত দিন প্রাণঘাতী এই ভাইরাস ছুঁতে পারেনি। গতকাল দেশটির গণমাধ্যম জানিয়েছে, নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ শহর থেকে টোঙ্গায় আসা এক উড়োজাহাজযাত্রীর শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। টোঙ্গায় শনাক্ত হওয়া প্রথম করোনা রোগী তিনি।

রাষ্ট্রীয় রেডিওতে দেওয়া ভাষণে গতকাল টোঙ্গার প্রধানমন্ত্রী পোহিভা তুউই ওনেতোয়া দেশটিতে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের কথা জানিয়েছেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘ক্রাইস্টচার্চ থেকে ২১৫ জন টোঙ্গায় এসেছেন। তাঁদের মধ্যে একজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে।’

রোগী শনাক্তের পরিপ্রেক্ষিতে টোঙ্গাবাসীকে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ কোভিড–১৯–সংক্রান্ত যাবতীয় নিয়ম মেনে চলতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী পোহিভা তুউই ওনেতোয়া। তিনি জানান, দেশজুড়ে লকডাউন দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে আগামী সোমবার নাগাদ সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা আসবে।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ক্রাইস্টচার্চ থেকে আসা ওই উড়োজাহাজে শ্রমিক এবং টোঙ্গার অলিম্পিক দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা ছিলেন। ওই সময় বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা–কর্মচারী, স্বাস্থ্যকর্মী ও পুলিশ সদস্যদের কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। তবে করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেনি দেশটির কর্তৃপক্ষ।

এদিকে সীমিত স্বাস্থ্যব্যবস্থা থাকার পরও টোঙ্গার ৩১ শতাংশ মানুষ করোনার টিকার পূর্ণাঙ্গ ডোজ নিয়েছেন। একই সঙ্গে ৪৮ শতাংশ টোঙ্গাবাসী করোনার টিকার এক ডোজের আওতায় এসেছেন বলে জানিয়েছে করোনা মহামারিবিষয়ক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান আওয়ার ওয়ার্ল্ড ইন ডেটা।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন