মালয়েশিয়া এয়ারলাইনসের ফ্লাইট এমএইচ৩৭০-এর খোঁজ ‘কখনোই পাওয়া যাবে না’। কারণ, এটি কোথায় আছে, সে সম্পর্কে কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। ফ্লাইট এমএইচ৩৭০: দ্য মিস্ট্রি বইয়ের লেখক নাইজেল কাওথর্ন এ মন্তব্য করেছেন।
কুয়ালালামপুর থেকে ২৩৯ জন আরোহী নিয়ে গত ৮ মার্চ বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কিছুক্ষণ পরই নিখোঁজ হয় বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজটি। দেশ-বিদেশের অনুসন্ধানকারীরা বহু চেষ্টা করেও এর কোনো চিহ্ন বা ধ্বংসাবশেষ পাননি। তবে এটি ভারত মহাসাগরে বিধ্বস্ত হয়েছে বলেই ধারণা করা হয়। যুক্তরাজ্যের ডেইলি এক্সপ্রেস পত্রিকার সঙ্গে আলাপকালে কাওথর্ন বলেন, পৃথিবীর কোথায় বিমানটি আছে—কেউ জানে না। আর সারা বিশ্বে খোঁজাখুঁজি করা তো সম্ভব নয়। বিমানটি আর কখনোই খুঁজে পাওয়া যাবে না—এ কথা প্রায় নিশ্চিত।
অধিকাংশ বিশেষজ্ঞের অনুমান, এমএইচ৩৭০ সাগরে বিধ্বস্ত হয়েছে। কাওথর্ন বলেন, সাগরের তলদেশই এই গ্রহের সবচেয়ে দুর্গম অংশ। অনুসন্ধানের ব্যাপারটা নিষ্ফল মনে করার বড় একটা কারণ, কোথায় খুঁজতে হবে, সেটাই কেউ জানে না। ২০০৯ সালের জুনে এয়ার ফ্রান্সের একটি বিমান রিও ডি জেনিরো থেকে ২২৮ জন আরোহী নিয়ে প্যারিস যাওয়ার পথে আটলান্টিক মহাসাগরে বিধ্বস্ত হয়েছিল। সেটি অনুসন্ধান করতে গিয়ে টের পাওয়া গিয়েছিল, কাজটা কত কঠিন। বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার স্থানটি চিহ্নিত করার পরও উদ্ধারকাজে নয় মাস এবং ব্ল্যাক বক্স খুঁজে পেতে দুই বছর লেগে গিয়েছিল।
সময়সীমা মে মাস: এমএইচ৩৭০-এর খোঁজে ভারত মহাসাগরে দুর্ঘটনাস্থল চিহ্নিত করার কার্যক্রম আগামী মে মাসের মধ্যে শেষ করা হতে পারে। মালয়েশিয়া, চীন ও অস্ট্রেলিয়ার যৌথ অনুসন্ধানী দল গত রোববার এ কথা জানিয়েছে। বিমানটির ২৩৯ জন আরোহীর পরিবারের সদস্যরা গত সপ্তাহে নিজেদের ডিএনএর নমুনা জমা দিয়েছেন। কোনো দিন বিমানটির ধ্বংসাবশেষের খোঁজ পেলে স্বজনদের ওই ডিএনএর সাহায্যে আরোহীদের পরিচয় শনাক্ত করা হবে।
সূত্র: ডেইলি এক্সপ্রেস ও গার্ডিয়ান।

বিজ্ঞাপন
এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন