ঐক্যের বার্তা নিয়ে কংগ্রেসের নেতৃত্বে ‘ভারত জড়ো যাত্রা’

ফাইল ছবি: রয়টার্স

দেশজুড়ে ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কমপক্ষে ১৬টি রাজ্যে পদযাত্রা করার পরিকল্পনা করেছে ভারতের কংগ্রেস পার্টি। ‘ভারত জড়ো যাত্রা’ নামের এ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেবেন রাহুল গান্ধী। সমমনা অন্য বিরোধীদলগুলোরও এ পদযাত্রায় অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

আগামী ২ অক্টোবর থেকে এ পদযাত্রা শুরু হবে। দক্ষিণের কন্যাকুমারী থেকে শুরু হয়ে কাশ্মীরে গিয়ে শেষ হবে তা। ইতিমধ্যে এর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। পদযাত্রা আয়োজনের পরিকল্পনায় মধ্য প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয়া সিংয়ের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয়ভাবে যে গ্রুপটি ভারত জোড়ো যাত্রার পরিকল্পনা করছে তার মধ্যে আছেন দিগ্বিজয়া সিং, শচীন পাইলট, শশী থারুর, রাভনিত সিং বিট্টু, কেজে জর্জ, জোথি মানি, প্রাদ্যুৎ বোরদোলোই, জিতু পাটোয়ারি ও সালিম আহমেদ।

পরিকল্পনাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই নেতা বলেছেন, তামিল নাড়ু, কেরালা, কর্ণাটক, মধ্য প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, গুজরাট, রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা ও পাঞ্জাবের মতো রাজ্যগুলোতে পদযাত্রা হতে পারে। পাঁচ থেকে ছয় মাসে পুরোপুরি হেঁটে সাড়ে ৩ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে কংগ্রেস পার্টি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ‘কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ভারত জড়ো যাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন। তিনি আমাদের বলেছেন, কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত পুরো পথ তিনি হেঁটে যেতে চান। প্রকৃতপক্ষে তিনি প্রাথমিকভাবে দিনে ৩০ কিলোমিটারের বেশি পথ হেঁটে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে তাঁকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে সবার শারীরিক সক্ষমতা তাঁর মতো নয়।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অপর এক নেতা বলেন, সমাবেশে অংশ নেওয়ার জন্য সমমনা দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। ভারত জড়ো যাত্রার পেছনে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কোনো উদ্দেশ্য নেই। এটি এমন এক সমাবেশ, যা জনগণের মধ্যে ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দেবে। আরও অনেক দলও একই রকম করে ভাবে। সুতরাং এখানে যোগদানের ক্ষেত্রে কারও জন্য কোনো মতাদর্শিক প্রতিবন্ধকতা থাকবে না। বলেন ওই নেতা।

একইভাবে এ পদযাত্রায় সমাজকর্মীসহ অন্যদেরও স্বাগত জানানো হবে।