বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জাকার্তার প্রেসিডেন্ট ভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি সাক্ষাৎকার দেন উইদোদো। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘সবাই সহায়তা করেছে। তবে আমার মতে, এ সহায়তার পরিমাণ যথেষ্ট নয়। এ সংকটের সময় দরিদ্র দেশগুলোকে টিকা পাওয়ার সহায়তায় উন্নত দেশগুলোর এগিয়ে আসা উচিত। যাতে আমরা এ মহামারিকে একত্রে পরাজিত করতে পারি।’

করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে ইন্দোনেশিয়া অন্যতম। দেশটিতে এমন সময়ও গেছে যে দিনে সর্বোচ্চ ৫০ হাজারের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। তবে এটি সরকারি তথ্য। প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি ছিল বলে ধারণা করা হয়। করোনায় ইন্দোনেশিয়ায় এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে জানিয়েছে দেশটির সরকার।

মহামারি শুরুর দিকে উইদোদোর সরকার করোনাকে ততটা গুরুত্ব দেয়নি বলে অভিযোগ আছে।

করোনা মহামারি মোকাবিলায় সরকারের ভুলগুলো বিবিসির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেন উইদোদো। দেশটির স্বাস্থ্যসেবা কাঠামোর দুর্বলতার কারণে ইন্দোনেশিয়া করোনা মোকাবিলা হিমশিম খেয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

উইদোদো বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালগুলো রোগীতে পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল। হাসপাতালগুলো আর চাপ নিতে পারছিল না। এর কারণে আমাদের দেশে করোনায় এত মানুষের মৃত্যু হয়েছে।’

ইন্দোনেশিয়ার করোনা পরিস্থিতি এখন উন্নতির দিকে। সরকারি তথ্য অনুসারে, দেশটিতে করোনা শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা এখন নিম্নমুখী। দেশটিতে করোনার টিকাদান কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়ায় এখন পর্যন্ত ১০ কোটি ডোজ করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে। দেশটির মোট জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ পূর্ণ ডোজ টিকা পেয়েছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন