দেশটিতে আজ শুক্রবার সর্বশেষ পাওয়া তথ্যে বলা হয়, নতুন করে ৯ হাজার ২৭৬ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে এবং ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত এপ্রিল থেকে দেশটিতে করোনার তৃতীয় ঢেউ চলছে।

আজ এক বৈঠক শেষে করোনাভাইরাস টাস্কফোর্সের সরকারি এক কর্মকর্তা এ ঘোষণা দেন। আগামী সোমবার থেকে কারফিউ চালু হবে। আর লোকজনকে ঘরে থেকেই কাজ করতে হবে।

কোভিড-১৯ টাস্কফোর্সের সহকারী মুখপাত্র আপিসামাই শ্রীরেংসন বলেন, ‘এসব এলাকার লোকজন, যাদের সর্বোচ্চ বিধিনিষেধের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে, তাদের এই অসুবিধার জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। কিন্তু এই পদক্ষেপ করোনাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেশ কার্যকর ফল দেবে। থাইল্যান্ড অবশ্যই জয়ী হবে।’

নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে, অপ্রয়োজনে বের হওয়া নিষেধ। পাঁচজনের বেশি মানুষ একত্র হতে পারবে না। রাত নয়টা থেকে গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। সুপারমার্কেট, রেস্টুরেন্ট, ব্যাংক, ফার্মেসি ও ইলেকট্রনিকস স্টোরস খোলা থাকতে পারলেও অন্য সব দোকান বন্ধ থাকবে। আর মলগুলো রাত আটটার মধ্যে বন্ধ করতে হবে।