বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

‘দিস উইক’ নামের এবিসির রোববারের টক শোতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শীর্ষ কূটনীতিক বলেন, হুঁশিয়ারি ছাড়াই গুলির নির্দেশ তিনি পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেন। কাজাখস্তানের কর্তৃপক্ষের উচিত এই নির্দেশ প্রত্যাহার করা।

কাজাখস্তানে যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে, তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাস্তবিক উদ্বেগ রয়েছে বলে জানান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ব্লিঙ্কেন বলেন, তাঁরা আশা করছেন, কাজাখস্তান সরকার বিক্ষোভকারীদের এমনভাবে মোকাবিলা করবে, যা তাদের অধিকারকে শ্রদ্ধা করে। যেন সহিংসতার জন্ম না দেয়।
মধ্য এশিয়ার বৃহত্তম দেশ কাজাখস্তানে দাঙ্গায় এখন পর্যন্ত ১৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। কর্তৃপক্ষ পাঁচ সহস্রাধিক মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল রোববার দেশটির গণমাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়।

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়ানোকে কেন্দ্র করে ১ জানুয়ারি কাজাখস্তানে আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে বিক্ষোভ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে।

সহিংস বিক্ষোভের মুখে গত বুধবার দেশটির সরকার পদত্যাগ করে। দেশজুড়ে জারি করা হয় জরুরি অবস্থা।

গত শুক্রবার কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট কাসিম জোমার্ট তোকায়েভ ঘোষণা দেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কোনো আলোচনায় বসবেন না। এমনকি কোনো ধরনের সতর্কতা সংকেত ছাড়াই নিরাপত্তা বাহিনীকে গুলি চালাতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

সেদিন প্রেসিডেন্ট তোকায়েভ টেলিভিশন ভাষণ বিক্ষোভকারীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেন। বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা সম্পদের ক্ষতি করেই যাচ্ছে। তারা বেসামরিক লোকজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র ব্যবহার করছে। কোনো সতর্কতা ছাড়াই গুলি চালাতে আমি নিরাপত্তারক্ষী বাহিনীকে নির্দেশনা দিয়েছি।’

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন