বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১৯৯১ সালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে কাজাখস্তান। প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট হন নূরসুলতান নাজারবায়েভ। মধ্য এশিয়ার জ্বালানি তেলসমৃদ্ধ এই দেশটির সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলিম ধর্মাবলম্বী।
চলতি বছরের শুরুতে কাজাখস্তান সরকার এলপিজির (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) দাম দ্বিগুণ বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। এর প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। এক সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভকারী ও পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষে ২৬ জন বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর ১৮ সদস্য নিহত হওয়ার কথা জানা গেছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ৫৮ বছর বয়সী সাউলে বলেন, কাজাখস্তানকে নাজারবায়েভদের একটি ব্যক্তিগত কোম্পানিতে পরিণত করা হয়েছে। শহরের ভেতরের অস্থায়ী তল্লাশিচৌকির সামনে স্লোগান দিচ্ছিলেন ইয়েরমেক আলিমবায়েভ। তিনি বলেন, শুধু একটা গোষ্ঠী ভালোভাবে বসবাস করছে আর বাকি সবাই দরিদ্র।

শনিবার সকালে রাজধানী থেকে প্রথম ট্রেনটিতে আলমাতি আসা রুস্তম নুগমানোভ (৪৮) বলেন, কাজাখরা জেগেছে। দেশের জন্য তিনি (নাজারবায়েভ) অনেক করেছেন। তবে আরও অনেক কিছু করতে পারতেন। হয়তো সে সক্ষমতা তাঁর ছিল না। লোভ ও দুর্বলতার কারণে তিনি অনেক কিছু করতে পারেননি।

বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর প্রাদেশিক শহর তালদিকোরগানে নাজারায়েভের একটি মূর্তি ভেঙে ফেলেছেন বিক্ষোভকারীরা। নাজারবায়েভের বিরুদ্ধে মানুষের এমন ক্ষোভ একসময় অকল্পনীয় ছিল। কিন্তু এখন সরকারবিরোধী অবস্থান নিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন