বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সময় আজ শুক্রবার টেলিভিশনে ভাষণ দেন প্রেসিডেন্ট কাসিম। বিক্ষোভকারীদের দস্যু অভিহিত করে তিনি বলেন, ২০ হাজার দস্যু আলমাতিতে হামলা করেছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, বিক্ষোভের জন্য বিদেশে প্রশিক্ষিত ‘সন্ত্রাসী’দের দায়ী করেছেন কাসিম। তবে নিজের বক্তব্যের পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি তিনি।

কাজাখস্তানে গাড়িতে এলপিজির ব্যাপক ব্যবহার হয়। দেশটিতে গত শনিবার এলপিজির দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়ানো হয়। পরদিন রোববার দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের তেলসমৃদ্ধ প্রদেশ মানজিস্তাউয়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে এই বিক্ষোভ আলমাতিসহ দেশটির অন্যান্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে।

কাসিম আরও বলেন, তাঁর অনুরোধে রাশিয়া ও প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে শান্তিরক্ষী বাহিনীকে পাঠানো হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তারা অস্থায়ীভাবে কাজাখস্তানে অবস্থান করবে। রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন কালেকটিভ সিকিউরিটি ট্রিটি অর্গানাইজেশনের (সিএসটিও) এই বাহিনীতে প্রায় আড়াই হাজার সেনা রয়েছে। সেনা পাঠানোর জন্য রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ‘বিশেষ ধন্যবাদ’ জানিয়েছেন কাসিম।

কাজাখস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, চলমান সহিংসতায় এখন পর্যন্ত ২৬ ‘সশস্ত্র অপরাধী’ ও ১৮ নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।

বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘অপরাধী ও হত্যাকারীদের সঙ্গে কী ধরনের আলোচনা করতে পারি আমরা?’

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন