বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কাতারে নতুন অনুমোদিত আইন অনুযায়ী, ৪৫ সদস্যের শুরা কাউন্সিলের ৩০ সদস্য নির্বাচিত হবেন। আইনসভার এই ৩০ আসনের জন্য লড়ছেন ২৮৪ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে নারী রয়েছেন ২৮ জন। বাকি ১৫ আসনে জনপ্রতিনিধি নিয়োগ করবেন কাতারের আমির নিজে।

আইনসভায় মনোনীত ও নির্বাচিত সদস্যদের অধিকার ও দায়িত্ব একই থাকবে। তাঁরা সরকারের সাধারণ নীতি ও বাজেট অনুমোদন করবেন। এ ছাড়া নির্বাহী কর্তৃপক্ষের ওপর তাঁদের নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

তবে ভোটাধিকার নিয়ে কাতারে কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আইন অনুযায়ী, ১৯৩০ সাল বা এর আগে থেকে যাঁদের কাতারের নাগরিকত্ব রয়েছে, তাঁরা ও তাঁদের পরিবারে প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যরাই শুধু নিজেদের পছন্দের প্রার্থী নির্বাচিত করতে পারবেন। ফলে, ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকছে না ১৯৩০ সালের পর দেশটির নাগরিকত্ব পাওয়া ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের।

এদিকে নির্বাচনে নারী প্রার্থীদের অংশগ্রহণকে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেছেন ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের উপসাগরীয় অঞ্চলবিষয়ক জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক এলহাম ফাখরো। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণ খুবই ইতিবাচক একটি পদক্ষেপ। তবে আমি মনে করি, তাঁদের ভূমিকার বিষয়ে আমাদের প্রত্যাশাকে সীমিত করতে হবে। কেননা, মাত্র ২৮ জন নারী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এতে বিস্ময়ের কিছু নেই।’

তবে আইনসভায় নারী ও পুরুষ প্রতিনিধিদের সংখ্যাগত ভারসাম্য রক্ষায় বাকি ১৫টি আসনে আমির বেশ কয়েকজন নারীকে নিয়োগ দেবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন বিশ্লেষকেরা।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন