বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ১৫ আগস্ট কাবুল দখলের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে তালেবান। ক্ষমতা দখলের প্রায় এক মাসের মাথায় তালেবান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে। তবে দেশ পরিচালনা করতে গিয়ে তারা অর্থসহ নানান সংকটের মুখে পড়ে। এ অবস্থায় তালেবানের জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জরুরি হয়ে পড়ে। সে জন্য তারা তৎপরতা চালাচ্ছে।

বিশেষ করে বিদেশে আটকে থাকা আফগানিস্তানের অর্থ ছাড় ও আন্তর্জাতিক সহায়তা আবার পাওয়ার জন্য তালেবান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আর্থিক সংকটের কারণে তালেবান আফগানিস্তানের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দিতে পারছে না।

আফগানিস্তানবিষয়ক যুক্তরাজ্যের বিশেষ প্রতিনিধি সিমন গাস গতকাল কাবুলে তালেবান নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এই বৈঠকের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে প্রকাশ করেছে তালেবান।

টুইটারে প্রকাশিত এই ছবিতে তালেবান সরকারের উপপ্রধানমন্ত্রী আবদুল গনি বারাদার ও আবদুল সালাম হানাফির সঙ্গে সিমনকে বৈঠক করতে দেখা যায়।

বৈঠকটি নিয়ে যুক্তরাজ্য সরকারের এক মুখপাত্র বক্তব্য দিয়েছেন। এই মুখপাত্র বলেন, আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা ও মানবিক সংকট সামাল দিতে যুক্তরাজ্য কীভাবে সহায়তা করতে পারে, সে বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি যারা আফগানিস্তান ত্যাগ করতে ইচ্ছুক, তাদের সেই সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে কথা হয়েছে।

বৈঠক নিয়ে আফগানিস্তানের পক্ষে কথা বলেছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আবদুল কাহার বালখি। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করার উপায় নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গঠন নিয়ে তালেবান আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে রয়েছে। কারণ, এই সরকারে যাঁরা স্থান পেয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অনেকের নাম আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের কালো তালিকায় আছে।

কাবুল দখলের পর তালেবান কথা দিয়েছিল যে তারা আফগানিস্তানে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার গঠন করবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা এই প্রতিশ্রুতি রাখেনি।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন