বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তালেবানের হাতে কাবুলের পতনের পর থেকেই জীবন বাঁচাতে আফগানিস্তান ছেড়ে যাচ্ছেন বিদেশি নাগরিক ও আফগানরা। দেশত্যাগে তাঁরা ব্যবহার করছেন হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ১৫ আগস্ট তালেবানের হাতে ক্ষমতা আসার পর থেকে বিমানবন্দরের দিকে হাজারো মানুষের স্রোত। এরই মধ্যে ৮২ হাজারের বেশি মানুষকে উড়োজাহাজে করে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বিবিসির খবরে বলা হয়, বিস্ফোরণটি বিমানবন্দরের অ্যাবি গেটে হয়েছে। সম্প্রতি সেখানে যুক্তরাজ্যের বাহিনীকে মোতায়েন করা হয়েছে। বিমানবন্দরে সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় এই গেটটিসহ তিনটি গেট (পূর্ব গেট ও উত্তর গেট) গতকাল বুধবারই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

default-image

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছে, সেখানে যুক্তরাজ্যের কোনো সেনা সদস্যের হতাহতের খবর তাদের কাছে নেই। তাৎক্ষণিকভাবে এটা জানাও সম্ভব নয়।

সেখানে থাকা তিন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সিএনএনও বিস্ফোরণের এ তথ্য জানিয়েছে। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই বিস্ফোরণ নিয়ে ব্রিফ করেছেন।

এর আগে পেন্টাগনের প্রেস সচিব জন কিরবি এই বিস্ফোরণের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে ক্ষয়ক্ষতি বলতে পারেননি।

কিরবি টুইট করে বলেন, ‘কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে বিস্ফোরণের বিষয়টি আমরা নিশ্চিত করছি। এই মুহূর্তে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি পরিষ্কার নয়। বিস্তারিত জানলেই আপনাদের জানানো হবে।’

এক মার্কিন কর্মকর্তার তথ্যমতে, ওই বিস্ফোরণে আফগান নাগরিকেরাই আহত হয়েছেন।

এই বিমানবন্দরে সন্ত্রাসী হামলা হতে পারে এমন আশঙ্কায় গতকাল বুধবার যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া উচ্চ সতর্কতা জারি করেছিল। যেকোনো ধরনের হামলা এড়াতে নিজ নিজ দেশের নাগরিকদের বিমানবন্দর এলাকা ত্যাগের নির্দেশনা দেয় দেশগুলো।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন