বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হামলার পর বিমানবন্দরের আশপাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তারা জানিয়েছে, কাবুল থেকে লোকজন সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন কাবুল পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি বৈঠকের পর বলেছেন, তাঁরাও বিমানবন্দর থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া অব্যাহত রাখবেন।

পশ্চিমা দেশগুলো আগে থেকেই ওই বিমানবন্দরে হামলার আশঙ্কা করে আসছিল। ইসলামিক স্টেট (আইএস) হামলা চালাতে পারে বলে জানানো হয়েছিল। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কেউ এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।

* বিমানবন্দরের বাইরে জোড়া বিস্ফোরণে নিহতদের মধ্যে ১২ মার্কিন সেনাও রয়েছেন।
* হামলার দায় স্বীকার করেনি কেউ।
* হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা মার্কিন প্রশাসনের।

এই হামলার আগে বিমানবন্দরের ভেতর দেশ ছাড়তে মরিয়া আফগানদের ভিড় কমাতে ফাঁকা গুলি ছোড়ে নিরাপত্তা বাহিনী। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পায় ইতালির একটি সামরিক উড়োজাহাজ।

তালেবান বাহিনী কাবুলে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম এ ধরনের হামলার ঘটনা ঘটল। এমনকি তালেবান যোদ্ধাদের কাবুল প্রবেশ ও প্রেসিডেন্ট প্রাসাদসহ সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সময়েও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সংঘর্ষ বা হতাহতের কোনো খবর আসেনি।

পরপর দুই বিস্ফোরণ

কাবুলের স্থানীয় সময় সন্ধ্যার দিকে বিমানবন্দরের আবে গেটের অদূরে প্রথম বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দ্বিতীয় বিস্ফোরণ ঘটে কিছুটা দূরে ব্যারন হোটেলের কাছে। কাবুল ছাড়তে অপেক্ষায় থাকা পশ্চিমা দেশগুলোর নাগরিকেরা এই হোটেলে রয়েছেন। বিস্ফোরণের একটু দূরেই রয়েছে মার্কিন ও ব্রিটিশ সেনাদের অবস্থানস্থল।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন প্রত্যক্ষদর্শী বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘বিস্ফোরণের পর মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যেই তালেবান যোদ্ধারা বিমানবন্দরের ফটক এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে দিতে ফাঁকা গুলি ছুড়তে শুরু করে। আমি একজন ব্যক্তিকে আহত এক শিশুকে নিয়ে দৌড়ে যেতে দেখেছি।’

স্থানীয় টোলো নিউজের টুইট বার্তায় হামলার পর ঘটনাস্থলের কিছু ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। এসব ছবিতে রক্তাক্ত মানুষকে সরিয়ে নিতে দেখা যায়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তালেবান কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানায়, হামলায় ৬০ জন নিহত হয়েছেন। কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল-জাজিরা স্থানীয় একটি হাসপাতালের সূত্র দিয়ে জানিয়েছে, ৯০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে এএফপি জানায়, হামলার পর হতাহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালের বাইরে সশস্ত্র তালেবান যোদ্ধাদের টহল দিতে দেখা যায়।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন