বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কিন্তু পরিস্থিতি বদলে যায় মুহূর্তেই। তালেবানের সদস্যরা বিমানবন্দরের বাইরের ভিড় কমানোর চেষ্টা করেন। এ কারণে বিমানবন্দরে প্রবেশে দেরি হয়ে যায় মির্জা আলি আহমাদি, তাঁর স্ত্রী সুরাইয়াসহ বাকি চার সন্তানের। এরপর আর তাঁরা শিশু সোহাইলকে খুঁজে পাননি। ওই সময় বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা মির্জা আলি আহমাদিকে বলেছিলেন, তাঁদের শিশুকে আলাদাভাবে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হবে এবং তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। কিন্তু সেটা আর হয়নি।

যাহোক, সোহাইল বিমানবন্দরে হারিয়ে যায়। ট্যাক্সিচালক হামিদ সাফির শিশুটিকে পায় বিমানবন্দরে। শিশু সোহাইলকে নিজের সন্তানের মতো করেই আগলে রেখেছিলেন হামিদ।

গত নভেম্বরে রয়টার্স একটি খবর প্রকাশ করে এ ঘটনা নিয়ে। ওই খবরে শিশুটির ছবি ছাপা হয় এবং কার কাছে আছে তা–ও প্রকাশ করা হয়। এতে করে সন্ধান মেলে শিশুটির। এই খবর প্রকাশের পর সপ্তাহ ধরে দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়। এরপর তালেবানরা হামিদকে আটকও করে। সোহাইলকে ফেরত দেওয়া হয় তার দাদা-দাদির কাছে। সোহাইলের পরিবার বলছে, তারা এখন সোহাইলকে মা-বাবার কাছে পাঠানোর উদ্যোগ নিচ্ছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন