বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঘটনার আকস্মিকতায় ক্যামেরাপারসন ড্যানি শুরুতে বুঝতেই পারেননি সেখানে কী ঘটে গেছে। পাশ থেকে একজন বৃদ্ধ পুরো ঘটনাটি দেখেন। তিনি জানান, ড্যানির ক্যামেরা আর ড্রোন দুটোই কুমিরের শিকারে পরিণত হয়েছে।

কুমিরের শিকারে পরিণত হওয়া ড্রোন ও ক্যামেরা উদ্ধারের আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন ড্যানি। ভেবেছিলেন, দুটো ডিভাইস কুমিরের পেটে গেছে। কিন্তু ড্যানির ভাগ্য বেশ সুপ্রসন্ন বলতে হয়। ওই ঘটনার দুই সপ্তাহ পর ক্ষতবিক্ষত ড্রোনটি হ্রদের কিনার থেকে উদ্ধার করা হয়। ক্যামেরা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও অক্ষত ছিল মেমোরি কার্ড। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে পুরো ঘটনার ভিডিও। পরে কুমিরের শিকারে পরিণত হওয়া ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ এবিসি চ্যানেলের বার্তাকক্ষে ঝুলিয়ে রাখা হয়।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন