টাইফুন হাইশেনের তাণ্ডবে কাগোশিমা বন্দরে ধ্বংসাবশেষের স্তূপ। জাপান, ০৭ সেপ্টেম্বর
টাইফুন হাইশেনের তাণ্ডবে কাগোশিমা বন্দরে ধ্বংসাবশেষের স্তূপ। জাপান, ০৭ সেপ্টেম্বরছবি: রয়টার্স

শক্তিশালী সামুদ্রিক ঝড় টাইফুন হাইশেন জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কিউশু দ্বীপের বিস্তৃত এলাকা উত্তর-পশ্চিম দিক বরাবর কোরীয় উপদ্বীপের দক্ষিণাংশের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। হাইশেনের প্রভাবে প্রবল বর্ষণে কিউশু দ্বীপের বিস্তৃত এলাকায় বন্যা দেখা দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আজ সোমবার সকালে ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক হিসাব নিরূপণ করে জাপানের আবহাওয়া সংস্থা বলছে, টাইফুন হাইশেনের বিধ্বংসী তৎপরতা যতটা ধারণা করা হয়েছিল, তার চেয়ে কম হয়েছে। তবে বড় আকারের বন্যা ও ভূমিধসের বিপদ এখনো কেটে যায়নি। কিউশু দ্বীপের হাজার হাজার বাড়িঘরে বিদ্যুতের সংযোগ এখনো বন্ধ আছে এবং দ্বীপজুড়ে অনেক পরিবার এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে। কিউশুতে এর আগে ৯০ লাখের কাছাকাছি লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।

বিজ্ঞাপন
default-image

বন্যার ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে জাপানের ভূমি মন্ত্রণালয় গতকাল রোববার বিকেলে দেশের পশ্চিমাঞ্চলের ১১টি জেলার ৭৩টি নদীর বাঁধের পানি ছেড়ে দিয়েছিল। সামুদ্রিক ঝড় টাইফুন হাইশেন কিউশুজুড়ে বিমান ও রেল চলাচল বিঘ্নিত করে এবং ঝড়ের সঙ্গে আসা প্রচণ্ড বেগের দমকা হাওয়া সড়ক পথে গাড়ির চলাচল কমিয়ে দেয়। কাগোশিমা, কুমামোতো, নাগাসাকি ও মিয়াজাকি জেলায় কমপক্ষে ১৮ ব্যক্তির আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মিয়াজাকি জেলার শিবা গ্রামে ভূমিধসের পর চার ব্যক্তি এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। টাইফুনের আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির হিসাব এখনো করা হয়নি।

মন্তব্য পড়ুন 0