বিজ্ঞাপন

বেসামরিক প্রতিরক্ষাকর্মী মেদহাত হামদান গাজা সিটিতে এসেছেন খান ইউনিস থেকে। তিনি মানুষের জীবন বাঁচাতে টানা ১১ ঘণ্টা কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আমরা মানুষের চিৎকার শুনতে পাচ্ছি।’

default-image

ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তিনটি মৃত শিশুর লাশ বের করেছেন হামদান। সেই অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এই কাজ করতে এসে যেন আমার ভেতর থেকে সব ডরভয় চলে গেছে। এখন আমি আর বিস্মিত হই না কিন্তু আমরা যখন ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে শিশুদের লাশ বের করছি, তখন আবেগ আর বাঁধ মানে না।’

রামজি এশকুতানা নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, তেল সুবেরি থেকে পালমেরা পর্যন্ত ব্যাপক বোমাবর্ষণ হয়েছে। কয়েক মিনিটের মধ্যে সেখানে বিমান থেকে একের পর এক ৪০টি বোমা হামলা চালানো হয়। আমরা দৌড়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে দেখি আশপাশের বেশির ভাগ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে আমার ভাইয়ের বাড়িও ছিল। তাঁর স্ত্রী ও চার সন্তান ঘুমন্ত অবস্থায় মারা যায়। আমার ভাইয়ের স্ত্রী সন্তানদের ধরে রেখেছিল। এগুলো এফ-১৬ ক্ষেপণাস্ত্র ছিল না, এগুলো ছিল এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়া বোমা।’

গাজায় হামাসের রাজনৈতিক ও সামরিক শাখার প্রধান ইয়াহিয়া আল সিনওয়ারের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।

এক সপ্তাহ ধরে গাজা উপত্যকায় ১৮১ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ৫২ জন শিশু। আহত হয়েছে হাজারের বেশি মানুষ। পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনী অন্তত ১৩ জনকে হত্যা করেছে। আর গাজা থেকে ছোড়া রকেট হামলায় ২ শিশুসহ মারা গেছে অন্তত ১০ ইসরায়েলি।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন