বিজ্ঞাপন

এক বিবৃতিতে তাঁর আইনজীবী গিলেস দেভারস জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত ওই ভবনের ফিলিস্তিনি মালিক তাঁর আইনজীবীদের আইসিসিতে যুদ্ধাপরাধের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনার ম্যান্ডেট দিয়েছেন।

প্রাথমিকভাবে আইসিসিকে অভিযোগের বিষয়টি জানানোর কথা উল্লেখ করে গিলেস দেভারস আরও বলেন, যুদ্ধের সময় সামরিক কাজে ব্যবহার হলে কেবল তখনই যেকোনো বেসামরিক ভবনে হামলার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু গাজার ওই ভবনে গণমাধ্যমের দপ্তর ছিল। সামরিক কাজে ব্যবহারের প্রমাণ নেই। তাই ওই ভবনে হামলার ঘটনা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী সমর্থনযোগ্য নয়।দুই রাষ্ট্র সমাধানই একমাত্র জবাব

গত শুক্রবার ই-মেইলে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আইসিসির চিফ প্রসিকিউটরের কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন তিনি এ অভিযোগ বিচারকের কাছে পাঠাবেন।

যদিও ইসরায়েল দাবি করেছে, ওই ভবনে হামাসের সামরিক গোয়েন্দা ইউনিট ছিল। হামলার আগে এ বিষয়টি ভবন মালিককে সতর্ক করা হয়েছিল। তবে মেহেদি বলছেন, হামলার মাত্র এক ঘণ্টা আগে ইসরায়েলের একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা তাঁকে এ বিষয়ে জানিয়েছিলেন। এত অল্প সময়ে ভবনটি থেকে সবকিছু সরিয়ে নেওয়া সম্ভব ছিল না।

এদিকে ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ২০১৪ সালের পর থেকে সংঘটিত সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধের ঘটনাগুলো খতিয়ে দেখতে এরই মধ্যে তদন্ত শুরু করেছে আইসিসি। এর আওতায় ইসরায়েলি বাহিনী ও ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী—উভয় পক্ষের সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ তদন্ত করা হচ্ছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন