বিজ্ঞাপন

২০১৭ সালে এই বিমল গুরুং দার্জিলিংকে পৃথক রাজ্য ঘোষণার দাবিতে গোটা পাহাড় অশান্ত করে তুলেছিলেন। সে সময় বিমল গুরুংয়ের তীব্র আন্দোলনের জেরে দার্জিলিংয়ে একটানা তিন মাসের বেশি সময় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্‌ধ্‌ পালিত হয়। আন্দোলনে দার্জিলিংয়ে শান্তিশৃঙ্খলার প্রচণ্ড অবনতি ঘটে। একের পর এক খুন, অগ্নিসংযোগ, সরকারি অফিস ভাঙচুর, মারপিট, হিংসার ঘটনার কারণে বিমল গুরুংদের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা করা হয়। একপর্যায়ে গ্রেপ্তার এড়াতে বিমল গুরুং আত্মগোপনে চলে যান।

একটা সময় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিমল গুরুংকে সরিয়ে কাছে টেনে নেন জনমুক্তি মোর্চার অন্য এক নেতা বিমল তামাংকে। মমতা বিমল গুরুংকে গোর্খা পার্বত্য পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে সেখানে বিমল তামাংকে বসান।

মমতার এসব পদক্ষেপের পর ভোল পাল্টান গুরুং। মমতার সান্নিধ্য পাওয়ার চেষ্টা করতে থাকেন। বিজেপির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ঘোষণা দেন পশ্চিমবঙ্গে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে যোগ্য মমতাই। মমতাও রাজ্যে বিজেপিবিরোধী রাজনীতির স্বার্থে বিমল গুরুংকে কাছে টেনে নেন। এরপর বিমল গুরুং মমতার আশীর্বাদ নিয়ে প্রকাশ্যে আসেন।
এর ধারাবাহিকতায় বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পংয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সব ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহারের নির্দেশ দেয় রাজ্যের আইন মন্ত্রণালয়।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন