বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার চীনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের মুখপাত্র মি ফেং বলেন, ১৫ সেপ্টেম্বর (বুধবার) পর্যন্ত দেশজুড়ে করোনার টিকার ২১৬ কোটি ডোজ দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে। চীন সরকার ঠিক কতসংখ্যক মানুষকে টিকার আওতায় নিয়ে আসবে, প্রকাশ্যে এমন কোনো লক্ষ্য ঘোষণা করেনি। তবে চীনের শীর্ষ ভাইরোলজিস্ট ঝং নানশান গত মাসে বলেছিলেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ চীনের মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় নিয়ে আসা হবে।

চীনের মূল ভূখণ্ডে করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে এসেছিল। কিন্তু দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে করোনার নতুন ধরনের প্রাদুর্ভাবের কারণে বিপাকে পড়ে দেশটি। গত বৃহস্পতিবার চীনে নতুন করে ৮০ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে ৪৯ জন স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে যা কয়েক মাসের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।

করোনার তথ্য হালনাগাদকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় ৪৬ লাখ ৭৭ হাজার ১৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২২ কোটি ৭৪ লাখ ৮১ হাজার ৪৫১ জনের। এখন পর্যন্ত সারা বিশ্বে মোট সুস্থ হয়েছে ২০ কোটি ৪১ লাখ ৭৩ হাজার ৩৩৭ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ও শনাক্তের তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মৃত্যুর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ব্রাজিল। আর তৃতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে ভারতে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন