বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিবিসির খবরে বলা হয়, যৌথ ঘোষণায় বলা হয়েছে, জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় দুটি দেশের পক্ষ থেকে একসঙ্গে কাজ করা করা হবে। এর মাধ্যমে প্যারিস চুক্তিতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রিতে রাখার যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল তা অর্জন করা যাবে।

ওই লক্ষ্য অর্জনের পথে যে উল্লেখযোগ্য ফাঁক রয়েছে তা বন্ধ করার জন্য ধাপে ধাপে প্রচেষ্টার আহ্বান জানানো হয়েছে দুই দেশের ঘোষণায়।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমিত রাখা গেলে তা মানবজাতিকে জলবায়ুর সবচেয়ে খারাপ প্রভাব এড়াতে সাহায্য করবে।

বিশ্ব নেতারা ২০১৫ সালে ব্যাপক নির্গমন হ্রাসের মাধ্যমে ১.৫ ডিগ্রি থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে বিশ্বকে উষ্ণতা বৃদ্ধি থেকে রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

চীনের শীর্ষ জলবায়ু আলোচক শি জেনহুয়া সাংবাদিকদের বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভিন্নতার চেয়ে মতৈক্য বেশি।

যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ু দূত জন কেরি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে পার্থক্যের কোন অভাব নেই। কিন্তু জলবায়ুর সংকট নিরসন বিষয়ে সহযোগিতার মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন করাই একমাত্র উপায়।

বিবিসি জানিয়েছে, মিথেন নির্গমন, জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে এসে ক্লিন এনার্জিতে রূপান্তর এবং কার্বন নির্গমন রোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে যৌথ পদক্ষেপ নিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন।

তবে এর আগে চীন মিথেন গ্যাস নির্গমন রোধে ১০০ দেশের চুক্তিতে সই করতে অসম্মতি জানিয়েছিল। এর পরিবর্তে তারা জাতীয় পরিকল্পনা গ্রহণের কথা বলেছিল।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন