বিজ্ঞাপন

প্রশাসনিক কর্মকর্তারা বলছেন, সংক্রমণের কারণ এখনো তাঁরা বের করতে পারেননি। ওকিনাওয়ায় ৬০ শতাংশ সংক্রমণের কারণ জানা যায়নি। সেখানে গতকাল পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর মোট সংখ্যা ছিল ১৫ হাজার ৭৫০। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৭০ জন ওকিনাওয়ার মার্কিন সামরিক ঘাঁটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
ওকিনাওয়ার গভর্নর ড্যানি তামাকি জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়াতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। টোকিওসহ জাপানের আরও কয়েকটি এলাকার গভর্নর এই আহ্বান জানিয়েছেন।

টোকিওর গভর্নর ইয়ুরিকো কোইকে মনে করছেন, জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়ার মতো অগ্রগতি এখনো হয়নি। তিনি আরও এক মাস জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়াতে চাইছেন। টোকিও এবং আরও আটটি এলাকায় জরুরি অবস্থা এ মাসের ৩১ তারিখ পর্যন্ত বহাল থাকবে।

বেশির ভাগ এলাকার প্রশাসন মনে করছে, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ আরও কিছুদিন কার্যকর থাকলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সহজ হবে। জুন মাসের শেষ দিকে জাপানের নাগরিকদের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ করোনার অন্তত একটি টিকা নিতে পারবেন। কর্তৃপক্ষের ধারণা, এতে মানুষের মনেও কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসবে। জাপানে জনসংখ্যার আনুপাতিক হিসাবে একটি টিকা নেওয়া মানুষের সংখ্যা ৫ শতাংশের সামান্য বেশি।

জাপানের মোট জনসংখ্যা ১২ কোটি ৬০ লাখের সামান্য বেশি। দেশটিতে গতকাল ৪ হাজার ৪৩৬ জনের নতুন সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়েছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন