বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে উভয় পক্ষ বলছে, বাইডেন ও সির মধ্যে একটি ভার্চ্যুয়াল বৈঠক আয়োজনের ব্যাপারে তারা একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই বৈঠকটি আয়োজনে তারা সম্মত হয়েছে। গত মাসে সুইজারল্যান্ডে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও চীনের শীর্ষ কূটনীতিকের মধ্যে বৈঠকের পর এমন সিদ্ধান্ত হয়।

গত মাসে একাধিক সূত্র রয়টার্সকে জানায়, চীনের করোনা-সংক্রান্ত বিধিনিষেধের পাশাপাশি বাইরে ভ্রমণের ব্যাপারে সির অনাগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে দুই দেশের নেতার মধ্যে সরাসরি বৈঠকের পরিবর্তে ভিডিও কনফারেন্স আয়োজনের ব্যাপারে উদ্যোগী হয় ওয়াশিংটন।

হোয়াইট হাউসের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি কারিন জেন পিয়েরেকে গত সোমবার এই ভার্চ্যুয়াল বৈঠকের সময় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো সময় বলতে অস্বীকৃতি জানান। কারিন বলেন, এ নিয়ে আলোচনা চলছে।

করোনার উৎস, তাইওয়ান, দক্ষিণ চীন সাগর, বাণিজ্যযুদ্ধসহ বিভিন্ন ইস্যুতে চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে উত্তেজনা রয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ে ভার্চ্যুয়াল বৈঠক হতে যাচ্ছে। তবে এই বৈঠকের সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে বাইডেন প্রশাসনের প্রত্যাশা কম।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন