বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন একমত পোষণ করে বলেন, দোহা চুক্তি তালেবানকে শক্তিশালী হতে সহায়তা করেছে। দোহা চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সেনা প্রত্যাহারের সময়সীমা নির্ধারিত হয়। এ কারণে তালেবান যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদেশগুলোর জন্য হুমকি হয়ে ওঠা আল–কায়েদাকে প্রতিরোধ করার সুযোগ পেয়েছে। এ ক্ষেত্রে আগের জারি করা কঠোর নিয়মকানুন অনেকটাই শিথিল হয়েছে।

নির্বাচনের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সেনা প্রত্যাহারের সময়সীমা কিছুটা পিছিয়ে দেন। মে মাসের বদলে তিনি ৩১ আগস্টের মধ্যে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।

হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভ আর্মস সার্ভিসের কমিটিতে গতকাল বুধবার জেনারেল ম্যাকেঞ্জি বলেন, দোহা চুক্তি আফগান সরকারের ওপর শক্তিশালী মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ফেলতে পেরেছিল। আফগান সরকার বুঝতে পেরেছিল যে নির্দিষ্ট একটি সময়ের মধ্যেই তাদের দেওয়া সব সহায়তা বন্ধ হয়ে যাবে।

ম্যাকেঞ্জি আরও বলেন, দোহা চুক্তির পর গত এপ্রিলে প্রেসিডেন্ট বাইডেন সেনা কমানোর যে ঘোষণা দেন, তা ছিল কফিনে ঠোকা শেষ পেরেক।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেন, দোহা চুক্তি অনুসারে তালেবানের ওপর মার্কিন বিমান হামলা বন্ধের সিদ্ধান্ত তালেবানকে আরও শক্তিশালী করেছে। তালেবান আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা বাড়িয়েছে। সাপ্তাহিক হিসাবে তালেবানের হামলায় আফগানদের মৃত্যু বেড়েছে।

মার্কিন সেনাবাহিনীর জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল মার্ক মিলে ও ম্যাকেঞ্জি গত মঙ্গলবার সিনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটিতে বলেন, তাঁরা আফগানিস্তানে আড়াই হাজার সেনা রাখার সুপারিশ করেছিলেন।

জেনারেল মিলে এমনও বলেন, তালেবানের ক্ষমতা দখলের কারণে সন্ত্রাসী হামলা থেকে আমেরিকানদের রক্ষা করা কঠিন। তিনি তালেবানকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে অভিহিত করে বলেন, তালেবান এখনো আল–কায়েদার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেনি।

গতকাল তালেবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ বিবিসিকে বলেন, তালেবান প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের কোনো দেশ তাদের হুমকিতে নেই। তিনি আরও বলেন, আফগানিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পাদিত দোহা চুক্তিতে তাঁরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জাবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেন, নেতিবাচক মন্তব্য না করে বিশ্বের গণতন্ত্র ও সহযোগিতার সম্পর্ক বেছে নেওয়া উচিত।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন