বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ সময় বিচার মন্ত্রণালয়ের কর্মীরা কাগজপত্র পরীক্ষা করে আবদুল আল-ইদিকে জানিয়ে দেন, তাঁর কাজটি হচ্ছে না। কেননা প্রায় ২৫ বছর আগেই আবদুল আল-ইদির নাম মৃত ব্যক্তিদের তালিকায় লেখা হয়েছে। সরকারি নথিতে তিনি একজন মৃত ব্যক্তি। তখন আবদুল আল-ইদি তাঁর পাওয়ার অব অ্যাটর্নির নথি ও ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র দেখান। তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘আমি যদি মারা গিয়েই থাকি, তাহলে সরকার কীভাবে আমার নামে এসব ইস্যু করেছে?’ তবে বিচার মন্ত্রণালয়ের নথিতে মৃত ব্যক্তির তালিকায় না থাকায় সরকারি ওই কর্মীর মন গলেনি।

পরে সরকারি ওই কর্মী আবদুল আল-ইদিকে আইনি লড়াইয়ে নামার পরামর্শ দেন। বলেন, আবদুল আল-ইদির স্ত্রীকে একজন আইনজীবী নিয়োগ দিতে হবে। ওই আইনজীবী তাঁর হয়ে সরকারের সঙ্গে আইনি লড়াই চালাবেন। মৃত ব্যক্তিদের তালিকা থেকে জীবিতদের তালিকায় নাম লেখাতে এ ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

যদিও আবদুল আল-ইদি বলতে পারছেন না, ২৫ বছর আগে সরকারি নথিতে কীভাবে তাঁর নাম মৃত ব্যক্তিদের তালিকায় গেছে। এমনকি বিষয়টি তিনি এত দিন জানতেও পারেননি। অবশ্য এ জন্য এর আগে তাঁকে কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি। সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে বাধাহীন কাজ করেছেন। পরিচয়পত্র তুলেছেন। এবারই প্রথম তাঁকে বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। তবে এই বিষয়ে কুয়েতের বিচার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন