বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আল–জাজিরার সাক্ষাৎকারে মোল্লা হাসান আখুন্দ বলেন, তালেবান বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দূতাবাস, কূটনীতিক ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
আফগানিস্তানের বর্তমান অবস্থাকে ‘ঐতিহাসিক’ উল্লেখ করেছেন মোল্লা আখুন্দ। তিনি বলেন, ‘এই অবস্থায় আসতে আফগানিস্তানকে প্রচুর অর্থ ও রক্ত ঝরাতে হয়েছে। আফগানদের রক্তপাত, হত্যাকাণ্ড ও অবমাননার দিন শেষ হয়েছে। বিনিময়ে চড়া মূল্য দিতে হয়েছে আমাদের।’

এদিকে ২০ বছর ধরে চলা আফগান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদেশগুলোকে যেসব আফগান সহায়তা করেছিলেন, তাঁদের সাধারণ ক্ষমার ঘোষণা আগেই দিয়েছিল তালেবান। গতকালের আলাপচারিতায় সেই প্রতিশ্রুতির কথা আবার সামনে আনেন মোল্লা আখুন্দ। তিনি জানান, আগের কর্মকাণ্ডের জন্য কারও ক্ষতি করেনি তালেবান। কারও ওপর প্রতিশোধ নেওয়া হয়েছে, এমন প্রমাণ কেউ ভবিষ্যতে দিতে পারবে না।

কাবুলের পতনের পর থেকেই অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকারের কথা বলে আসছিল তালেবান। তবে মঙ্গলবার ঘোষিত সরকারে তাদের ওই প্রতিশ্রুতির কোনো প্রতিফলনই ঘটেনি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয় কট্টরপন্থী হিসেবে পরিচিত নানা ব্যক্তি ও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় থাকা হাক্কানি নেটওয়ার্কের নেতাদের নিয়ে। সরকারে স্থান মেলেনি নারীদের। মন্ত্রিসভায় দেখা যায়নি আফগানিস্তানের ক্ষুদ্র জাতিসত্তাগুলোর কোনো প্রতিনিধিকে।

এদিকে আফগানিস্তানে নতুন সরকার ঘোষণার পর থেকে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন সরকারে স্থান পাওয়া ব্যক্তিদের সমর্থন করেনি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও জাতিসংঘ। অন্তর্বর্তীকালীন এই সরকার আফগানিস্তানের স্থিতিশীলতা আনতে পারবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে সবকিছুর মধ্যে তালেবানের নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন ও উজবেকিস্তান।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন