বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিবিসি জানায়, আফগানিস্তানে নারী নির্যাতনের খবর আসতে থাকার মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে।

তালেবানের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, ‘ঘটনাটি আমরা জেনেছি। আমি নিশ্চিত করছি, তালেবান সদস্যরা তাঁকে হত্যা করেনি। আমাদের তদন্ত চলছে।’

জাবিউল্লাহ আরও বলেন, তালেবান ইতিমধ্যেই আগের প্রশাসনে কাজ করা লোকদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে। নেগার হত্যাকাণ্ডকে ‘ব্যক্তিগত শত্রুতা বা অন্য কিছু’ রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

ওই পরিবারের স্বজনদের দাবি, তিনজন বন্দুকধারী গত শনিবার নেগারদের বাড়িতে আসে এবং পরিবারের সদস্যদের বেঁধে তল্লাশি চালায়। তারা আরবিতে কথা বলছিল।

গত ১৫ আগস্ট কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর তালেবান সদস্যরা নিজেদের বৈশ্বিক পরিচিতির তুলনায় সহনশীল হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে। তবে দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে এখনো বর্বরতা ও দমন-পীড়নের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

বিবিসি আরও জানায়, আফগানিস্তানের বিভিন্ন সড়ক থেকে ম্যুরাল অপসারণ শুরু করেছে তালেবান। পাশাপাশি সড়ক থেকে নারীদের ছবিসংবলিত পোস্টারও সরিয়ে ফেলা হচ্ছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন