বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর সেখানে কোনো দেশের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তার প্রথম সফর এটি। আল থানি তালেবানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ নতুন সরকারের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন। কর্মকর্তারা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আফগান জনগণকে সহায়তা করার জন্য কাতারের প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করেন।

তালেবানের ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তারকারী দেশগুলোর মধ্যে কাতার অন্যতম একটি দেশ। আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে হাজার হাজার আফগান নাগরিককে সরিয়ে নিতে সহায়তা করে কাতার।

গত ১৫ আগস্ট তালেবান আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর দেশটিতে অর্থপ্রবাহ বন্ধ করে দেয় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। এরপর আফগানিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভের প্রায় এক হাজার কোটি ডলার আটকে দেয় যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে জরুরি সহায়তা তহবিলের ৪৪ কোটি ডলারও আটকে দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

আফগানিস্তান সম্পর্কিত জাতিসংঘের বিশেষ দূত ডেবোরাহ লিওনস গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আফগানিস্তানে অর্থপ্রবাহ চালু করার একটি উপায় বের করার অনুরোধ জানিয়েছেন। এমন প্রেক্ষাপটে দেশটি মহাবিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে সতর্ক করে দেন বিশেষজ্ঞরা।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন