বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আল-জাজিরা অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, এরদোয়ান বলেছেন, তালেবানের বর্তমান কর্মপন্থা ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অন্তর্ভুক্তিমূলক নয়। তবে তালেবান যদি সবাইকে নিয়ে সরকার গঠন করে, তাহলে তাদের সঙ্গে কাজ করবে তুরস্ক।

পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য তুরস্ক। তালেবানের ক্ষমতা দখল ও আফগানিস্তান থেকে বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের পর কাবুল বিমানবন্দর পরিচালনায় কাতারের সঙ্গে কাজ করছে তুরস্ক।

আফগানিস্তানের ক্ষমতা তালেবানের হাতে যাওয়ার পর প্রাথমিক বার্তায় তাদের স্বাগত জানায় তুরস্ক। তবে আঙ্কারা একই সঙ্গে এ কথাও বলে, তালেবানের কর্মকাণ্ড তারা মূল্যায়ন করবে। তালেবানকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি এ পর্যালোচনার ওপর নির্ভর করবে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন এরদোয়ান। সেখানে তিনি তালেবান সরকার নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

এরদোয়ান বলেন, তালেবানের কাজকর্মের দিকে তাঁরা নজর রাখছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলো, আফগানিস্তানে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার গঠিত হয়নি।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, এখন কিছু পরিবর্তনের সম্ভাবনা সম্পর্কে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তালেবান হয়তো অধিক অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার গঠন করবে।

এরদোয়ান জানান, যদিও এমন পরিবর্তন তাঁরা এখনো দেখতে পাননি, তবে তালেবান এমন পদক্ষেপ নিলে তাঁরা হয়তো তাদের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে অগ্রসর হবেন।
সম্প্রতি তালেবানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন আফগানিস্তানে নিযুক্ত তুর্কি রাষ্ট্রদূত সিহাদ এরগিনে। এই সাক্ষাতের পরই এরদোয়ানের কাছ থেকে তালেবান সরকার সম্পর্কে মন্তব্য এল।

যদিও ওই সাক্ষাতের পর তুরস্কের রাষ্ট্রদূত এক টুইট বার্তায় বলেছিলেন, আফগান জনগণের প্রতি তুরস্কের অব্যাহত সমর্থনের ব্যাপারে তিনি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। পাশাপাশি দেশটির সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্ক গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছেন।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন