বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০১৭ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট পার্ক গিউন–হেকে পার্লামেন্টে অভিশংসন করা হয়। দেশটিতে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত কোনো রাষ্ট্রপ্রধানকে দায়িত্ব ছাড়তে বাধ্য করার ঘটনা এটিই প্রথম। এরপর ২০১৮ সালে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন পার্ক গিউন–হে। ২২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাঁকে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইয়নহাপের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, নববর্ষ উপলক্ষে বেশ কয়েকজন কারাবন্দীর জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট মুন জে–ইন।

পার্কের বিরুদ্ধে ১৮টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। এর মধ্যে ১৬টিতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন তিনি। অভিযোগগুলোর বেশির ভাগই ঘুষ লেনদেন ও ক্ষমতার অপব্যবহার–সংক্রান্ত। দীর্ঘদিনের বন্ধুর কাছে প্রেসিডেন্টের গুরুত্বপূর্ণ নথি ফাঁস করার অভিযোগেও দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল তাঁকে। তবে সাবেক এ প্রেসিডেন্ট বরাবরই তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ২০১৮ সালে পার্ককে প্রথমে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে ২০ বিলিয়ন উয়ন (১ কোটি ৬৮ লাখ ডলার) জরিমানাও করা হয়েছে। পরবর্তী সময় দক্ষিণ কোরিয়ার উচ্চ আদালত তাঁর জরিমানা ও সাজার পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

পার্ক গিউন–হেকে হঠাৎ করে বিশেষ ক্ষমা ঘোষণার বিষয়টি অনেককে বিস্মিত করেছে। কারণ, এর আগে মুন জে–ইন বলেছিলেন, পার্ককে ক্ষমা ঘোষণার সম্ভাবনা নেই।

এদিকে শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হ্যান মেয়ং সুককেও নির্দোষ ঘোষণা করা হয়েছে। ঘুষ লেনদেনের দায়ে ২০১৫-১৭ সাল পর্যন্ত দুই বছর জেল খেটেছেন এই নারী।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন