বিজ্ঞাপন


অবশ্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেছেন, ‘ইসরায়েলের নিরাপত্তার বিষয়ে আমার প্রতিশ্রুতিতে কোনো পরিবর্তন আসেনি।’ তিনি যোগ করেন, এই অঞ্চল যত দিন ‘দ্ব্যর্থহীনভাবে’ ইসরায়েলের অস্তিত্ব স্বীকার না করা পর্যন্ত ‘কোনো শান্তি আসবে না’।

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের অবসানে দুই রাষ্ট্র সমাধানের ধারণা কয়েক দশক ধরে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে আলোচিত হয়ে আসছে। এই কূটনীতির মূল ভিত্তি ইসরায়েলের পাশাপাশি সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং জেরুজালেম হবে দুই রাষ্ট্রের রাজধানী।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইসরায়েলপন্থী নীতি ও ফিলিস্তিনিদের স্বার্থ উপেক্ষা ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়েছে।

ট্রাম্পের উপদেষ্টা ও মেয়ের জামাই জ্যারেড কুশনারের মধ্যপ্রাচ্য শান্তি পরিকল্পনায় দুই রাষ্ট্র সমাধানের কথা বলা হয়েছিল ঠিকই। তবে সেই নীলনকশায় ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে খুবই সীমিত সার্বভৌমত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তাঁর সেই পরিকল্পনায় ইসরায়েলই ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা দেখভাল করবে।

ফিলিস্তিনি নেতারা কুশনারের সেই মধ্যপ্রাচ্য পরিকল্পনা নাকচ করে দেন।
বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পুরোপুরিই দুই রাষ্ট্র পরিকল্পনার বিষয়ে জোর দিয়েছেন।

বাইডেন পরিষ্কার করে দিয়েছেন, ‘ইসরায়েলের নিরাপত্তার বিষয়ে আমার প্রতিশ্রুতির কোনো পরিবর্তন হয়নি, আদৌ কোনো পরিবর্তন হয়নি।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট যোগ করেন, ‘তবে আমি আপনাদের বলছি, একটা পরিবর্তন আছে। সেই পরিবর্তন হচ্ছে, দুই রাষ্ট্র সমাধানই একমাত্র পথ। এটিই একমাত্র জবাব, এটিই একমাত্র পথ।’

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন